যে সব দলিল জানা অবশ্যই প্রয়োজন

মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আলী সাহেব

কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসা

১। নবীজীকে ভালবাসলে জান্নাত নিশ্চিত ঃ মিশকাত শরীফ ১৩, মিশকাত শরীফ ১৪ নং পৃষ্ঠায় হযরত ইবরাজ (রাঃ), মিশকাত শরীফ ১২ ও মিশকাত শরীফ ৪২৬ পৃষ্ঠায় হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম), মিশকাত শরীফ ৩০পৃষ্ঠায়হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমিযী), মিশকাত শরীফ ৪২৪ পৃষ্ঠায় হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) (বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ৪২৫, মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও শরহে সুন্নাহ), হযরত সালমান ফারসী (রাঃ) (বুখারীশরীফ ২য়খন্ড ৭২৭ পৃঃ), হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৫৯ পৃঃ)।মুসলিমশরীফ ২য় খন্ড,৩৩১পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) মুসলিমশরীফ ১ম খন্ড ২১৯পৃঃ মিশকাত শরীফ- ৪২৬পৃঃ বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ৯১১পৃঃ বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫২১ পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭২৭ পৃঃ হযরত সালমান ফারসী (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০০২ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৫৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৮৭ পৃঃ হযরতআবুহুরাইরা(রাঃ),মিশকাত শরীফ ১৭৫ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) ঃআবু দাউদ শরীফের ৩৩৯ পৃষ্ঠায় যায়েদ ইবনে সাবিত (রা) (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ১৯২পৃঃও (তিরমিযী শরীফ২য় খন্ড ৬১পৃঃ) ৪ পারা ৩ নং সুরা আল ইমরান ২৫নংআয়াত ।

২। আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল (দঃ) কে ভালবাসা ঃ মেশকাত শরীফের ১২ নং পৃষ্ঠায় হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম), ও হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৬৫পৃষ্ঠায় হযরত সাইদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৪২৪ পৃষ্ঠায় হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবু ফুয়াদ (রাঃ) (বায়হাকি শরীফ), হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদশরীফ), মিশকাতশরীফ ৪২৬ পৃষ্ঠায় হযরত মুয়াজ বিন জাবাল (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ) ও হযরত ওমর (রাঃ) হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদ ও শরহে সুন্নাহ), ৪২৭ পৃষ্ঠায় হযরত আবু ওমামাহ ও আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৯৮১ পৃষ্ঠায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড), হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০০২ পৃঃ)

৩। নবী করিম (দঃ) হলেন নূরের তৈরি ঃ মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ ১০ নং হাশিয়ায় উবাই ইবনে জাবের (রাঃ) (মুসনাদ), ৭১পৃঃ হযরত আবু আমামাহ (রাঃ) (ইবনে হিক্কান), মিশকাত শরীফ ৫১০ পৃঃ হযরত যুরাতা ইবনে আউফ (রাঃ) (আহমদ ও তিরমীযি) মিশকাত শরীফ ৫১১ পৃঃ ৬ নং হাশিয়ায় হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত ইবরাজ (রাঃ) (শরহে সুন্ন্াহ), ৫১৮ পৃঃ হযরত আব্বাস (রাঃ) (দারেমী), ২২৭ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (হাজরে আসওয়াদ পাথর), ইবনে ওমর (রাঃ) (তিরমীযি), মাওয়াহিবে লাদুনিয়া ১ম খন্ড ৯ম পৃঃ, তাফসিরে রম্নহুর বায়ান ৩য় খন্ড ৫৪৩পৃ; সিরাতে হালবিয়া ১ম খন্ড ৪৯পৃ; সিরাতে হালবিয়া ১ম খন্ড ৩০ ও ২১০ পৃ; হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), তাফসীরে মাদারিক ১ম খন্ড ৪১৭ পৃ:, তাফসীরে খাজেন ১ম খন্ড ৪১৭, ২য় খন্ড ২৮ পৃ:, ৩য় খন্ড ৩৩২ পৃ:, তাফসীরে এলাহিয়্যা ১ম খন্ড ২০৭ পৃ:, তবকাতুল কুবরা ২য় খন্ড ৬২ পৃ:, নুজহাতুল মাজালিস-২য় খন্ড ৯৬-৯৭ ইবনে আব্বাস রা:, মা’রিফুল কুরআন ৫৪ পৃ: ও ৩০২ পৃ: ও ৯৪৫ পৃ:, তাফসীরে রম্নহুল মায়ানী ১ম খন্ড ২১৭ পৃ: ও ২য় খন্ড ৬ষ্ট পারা ৯৭ পৃ:, তাফসীরে রম্নহুল বয়ান সূরা মায়িদার ১৫ নং আয়াতের ব্যাখ্যা ও ৩য় খন্ড ৫৪৩ পৃ:, বায়হাকী শরীফ ১ম খন্ড ৮০ পৃ:, শিফা শরীফ ১ম খন্ড ১০ পৃ:- ইবনে যুবাইরও ২য় খন্ড ৩২ পৃ: ও ৩য় খন্ড ৪৩ পৃ:, বেদায়া ও নেহায়া ২য় খন্ড ২৪১ পৃ:, জুরকানী শরীফ ১ম খন্ড ৪৯ পৃ: ৪র্থ খন্ড ২২০ পৃ:, শুকরম্নননি’মাতি বিযিকরির রহমাতির রহমাহ্ -লেখক আশ্রাফ আলী থানবী -৩৯ পৃ:, আনওয়ারে মুহাম্মদিয়া ১৩ পৃ:, মাদারিজুন্নবুয়্যত ১ম খন্ড৩০৯ পৃ:, ফতোয়ায়ে হাদিসিয়া ৫১ পৃ:, মাতালিউল মুসাররাত ২৫৩ পৃ:, ইবরিছ ২৭২ পৃ:, তাফসীওে কুরতুবী ৬ষ্ট পারা ১১৮ পৃষ্ঠা, তাফসীরে বায়জাবী ১ম খন্ড ৬৪ পৃ:, তাফসীরে মাজহারী ৩য় খন্ড ৬৮ পৃ:, শরহে সুন্নাহ ১০ম খন্ড ২০৭ পৃ:,।

৪। আমরা নবীজীর গোলাম ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৫ পৃঃ হযরত মুনকির (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ) ও বায়হাকী শরীফ ৬ষ্ঠ খন্ড ৪৫ পৃঃ, মেরকাত শরহে মিশকাত ১১তম খন্ড ২৩০/৩১ পৃঃ।

৫। নবীজী সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ নবী ঃ মিশকাত শরীফ ৫১১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে ২টি হাদিস (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (দারেমী শরীফ)।

৬। রাসূলে পাক (দঃ)-এর চোয়াতে জীবন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩১ পৃঃ হযরত বারা (রাঃ) ও আবু রাফের হত্যা (বুখারী শরীফ), ৫৩৩ পৃঃ হযরত ইয়াজিদু বিন ওবায়দা (রাঃ) ঘাড় পাড়া গরু ছিল (বুখারী শরীফ), ৫৩৬ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) খেজুর গাছ শুকনো পাকা (বুখারী শরীফ)।

৭। আসমানে ও জমীনের ধন সম্পত্তি নবীজীকে আল্লাহ তায়ালা দান করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৭৫, মিশকাত শরীফ ৫১২, মিশকাত শরীফ ৫৩৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৩২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৪৬, মিশকাত শরীফ ৫৪৭ পৃঃ হযরত ওকবাহ ইবনে আমির (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৮। বিশ্ব মানবতার মহান শিক্ষক রাসূল (দঃ) ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (দারেমী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস ও জাবের (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

৯। পূর্ববতর্ী সকল উম্মত ও নবীর সাক্ষী রাসূলে কারীমের উম্মত ঃ মিশকাত শরীফ ৪৮৫ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম ৪৭০ ।

১০। নামাজে নবীজীকে সালাম দেওয়া ওয়াজিব ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৪ পৃঃ ৭ নং হাশিয়া, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ১৮৫ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ মুয়াল্লাহ (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৪২ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৬৯ পৃঃ) উবাই ইবনে কাবের নামাজ পরিপূর্ণ হওয়া সময় যে ঘটনা হয়েছে।

১১। নবী করীমের জীবন চরিত্র ঃ মিশকাত শরীফ ২৮৩ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ) ও মিশকাত শরীফ ৫১৮-৫২১ পৃঃ।

১২। নবীজীকে না মানা বেয়াদবী ও কুফুরী ঃ মিশকাত শরীফ ২৭ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), হযরত আনাস (রাঃ) ও হযরত জাবের (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), ৯৭ পৃঃ উবাই ইবনে মাসউদ (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫২২ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি) আবু লাহাবের বাড়ি দাওয়াত , মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ)। ২ পারা ২ নং সুরা বাকারা ১০৪নংআয়াত ।২৬ পারা ৪৯ নং সুরা হুজরাত ২নংআয়াত ।
১৩। নবী করীম (দঃ)-এর শ্রেষ্ঠত্ব ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪ পৃঃ হযরত হুজায়ফা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১১ পৃঃ হযরত ওয়াসেলা ইবনে আসকা (রাঃ) (তিরমীযি) বংশের কথা, মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

১৪। নবী করীম (দঃ) হাজির ও নাজির ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা ও কাতাদাহ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৪৬২ পৃঃ হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), ৫১২ পৃঃ হযরত আতা ইবনে ইয়াছির ও ছাওবান (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) মুতার যুদ্ধের ঘটনা (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৪৮ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (দারেমী শরীফ), ৫৭৩ পৃঃ হযরত আবু সালমা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫০৬ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৭১৭ পৃঃ হযরত আমের ইবনে আস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭৭৯ পৃঃ, বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৮৩ পৃঃ ও ৪২৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) :- বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭১৭ পৃঃ আমের ইবনে আস (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় ৭৭৯ পৃঃ , ১ম ৪২ পৃঃ ১ম খন্ডের কিতাবুল জামাআতে রয়েছে, বুখারী শরীফ ১ম ১৮৩ পৃঃ , বুখারী শরীফ:-১ম ৪২৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) ১৮ পারা ২৪নং সুরা নুর ৬১নংআয়াত ।

১৫। নবী করীম (দঃ) ইলমে গায়েবের খবর দেনেওয়ালা ঃ মিশকাত শরীফ ২৬, মিশকাত শরীফ ২৩০, মিশকাত শরীফ ৪৬৬ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুসলিম) মিশকাত শরীফ ২১, মিশকাত শরীফ ৩৩ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৫৬, মিশকাত শরীফ৫৩৩, মিশকাত শরীফ ৫৪১, মিশকাত শরীফ ৬৮, মিশকাত শরীফ ৫০৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি) মিশকাত শরীফ, ৩৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ৯৮, মিশকাত শরীফ ৩৩১, মিশকাত শরীফ ৫৪৮, মিশকাত শরীফ ৫৬২ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫৩৩, মিশকাত শরীফ ৫৩৪ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আবু দাউদ) মিশকাত শরীফ ৩৩৫ পৃঃ হযরত হাসান বিনতে মুয়াবিয়া (রাঃ) (আবু দাউদ), মিশকাত শরীফ ৪৩৭ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (তিরমীযি), ৫৩৬, মিশকাত শরীফ ৫৮১ পৃঃ হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৬৮ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (বুখারী), মিশকাত শরীফ ৪৬৩ পৃঃ হযরত সাকিনাহ (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি, ইবনে মাজাহ), মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ উম্মে ফজল (রাঃ) (বায়হাকী) গোস্তের টুকরা কারবালা, মিশকাত শরীফ ৭২ পৃঃ হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) (তিরমীযি ২য় খন্ড ৪২পৃঃ )।বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ২৪৬পৃঃ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৯৩ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪৫৩ পৃঃ হযরত আবু ওমর (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪২ পৃঃ জায়েদ (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭২ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৫৬৭পৃঃ হযরত আলী (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় ৫৬৮ পৃঃ রুরাই বিনতে মুয়াইজ(রা.), ২য় ১০৭৫ পৃঃ আনাস (রাঃ) ও হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় ৬৭৮পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম ৪০১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) ও সাহাল ইবনে সায়াদ (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম ১২ পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় ৯২২ বুখারী শরীফ:-৯৭৭ পৃঃ, বুখারী শরীফ:-২য় ১০২৫/২৬ পৃঃ হযরত আব্দুর রহমান (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম ৪৭১ পৃঃ ওকবা ইবনে ওমর (রাঃ), বুখারশরীফ ১ম ৪৭১ পৃঃ হযরত আসমা (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় ১০৮৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) তিরমীজি শরীফ২য়-৪২পৃঃ-হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) তিরমিযি শরীফ ২য়-৪৩পৃঃ- সাফিনাহ তিরমিযি শরীফ তিরমিযি শরীফ ২য়-৫৬পৃঃ-হযরত আবু হুরাঃয়রা (রাঃ তিরমিযি শরীফ ২য়-২১৪পৃঃ-আমর ইবনে সাদ ইবনে তিরমিযি শরীফ ২য়-২১৯পৃঃ- উবাদাতা ইবনে সাবি তিরমিযি শরীফ ১ম-১৯৮পৃঃ- আনাস(রাঃ)তিরমিযি শরীফ২য়-১৬২পৃঃ- উবাই ইবনে কাব (রাঃ) বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৮৫পৃঃ ও ।

১৬। শাফায়াত করবেন নবী করিম (দঃ) ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ১৪৫ পৃঃ হযরত আব্বাস (রাঃ) (মুসলিম), মিশকাত শরীফ ১৭৩ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ৩৩৩ পৃঃ হযরত মিকদাম ইবনে মাদী কারাব (রাঃ) (ইবনে মাজাহ), মিশকাত শরীফ ৪৮৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৪৯৪, মিশকাত শরীফ ১৯৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী), মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ), ৫১৩ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ), ৫১৪ পৃঃ উবাই ইবেন কাব (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূূ২য় খন্ড ১৪৩ পৃ আবু সাঈদ খুদুরী ১ম খন্ড ১১১ পৃঃ, বুখারী শরীফ ১ম ৫৪৮ পৃঃ ও ২য় খন্ড ১১২০ পৃঃ) মুসলিমশরীফ ২য় খন্ড ১৪৩পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড-১১১পৃঃ ও বুখারী শরীফ ১১২পৃঃ১ম খন্ড ২০ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭২ পৃঃ আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), কিতাবুল যাকাত ১৯৭ পৃঃ, বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৩২৯ পৃঃ আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ)।

১৭। মিরাজের রজনীতে নবী করিম উম্মত দরদী ঃ( ৪৯ কোটি উম্মত মাফ), মিশকাত শরীফ ৪৮৬ পৃঃ হযরত আবু ইমামাহ (রাঃ) (তিরমীযি, আহমদ, ইবনে মাজাহ)।

১৮। তাওরাত কিতাবে নবীজীর প্রশংসা রয়েছে ঃ মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত আতা ইবনে ইয়াছার (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ কাব ইবনে ইয়াহইয়া ও আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম-(নবীজীর শানে নবীজী ও ঈসা (আঃ)-এর রওজা একস্থানে হবে) (দারেমী, তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫১৫ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫২০ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ ১ম খন্ড ৩৭৫পৃঃ)।

১৯। নবীজীর আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দু টুকরা ঃ মিশকাত শরীফ ১৩২, মিশকাত শরীফ ৫২৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), হযরত জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ) ও ইবনে মাসউদ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

২০। নবীজী শরীয়তের পরিবর্তনকারীওপ্রবর্তক ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪পৃঃ বাবুল হজ্জ্ব (তিরমীযি) মিশকাতশরীফ২২০, মিশকাত শরীফ ২২১, মিশকাত শরীফ ২২৫পৃঃ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।
মিশকাত শরীফ ৪৪৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), ১২ পৃঃ হযরত তালহাইবনেউবায়দুল্লাহ(মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৪১১ পৃঃ সাহল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (বুখাশরীফ), মিশকাত শরীফ ৪১৫ পৃঃ উবায়দা ইবনে সামেত (রাঃ) (মুসনাদ ও বায়হাকী), মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ২৯০ পৃঃ মিসওয়ার ইবনে আকরাম (রাঃ), ইবনে মাজাহ ২১৩ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) ইবনে মাজাহ ১৪৮ পৃঃ সালমা ইবনে সাখর (রাঃ) তিরমীযি শরীফ ১ম খন্ড ১০০ পৃঃ। নবীজী শরিয়তের প্রবর্তকঃ- ঃ তিরমিযি শরীফ. ১ম-১০০পৃঃ-হযরত আলী (রাঃ)- ইবমোজাহ শরীফ-২১৩ পৃঃ- আনাস (রাঃ) ও হযরত আলী (রাঃ)- ১৪৮সালমা ইবনে সাখর রায়ায়ী (রাঃ)-তিরমিজি শরীফ ১ম ১০০ পৃঃ- মুসলিম শরীফ ২য়ঃ- ২৯০পৃঃ- হযরত মিসওয়ার ইবনে আকরাম (রাঃ) মিশকাত শরীফ ২২৫পৃঃ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)। মুসলিমশরীফ ২য়-২৯০পৃঃ মিসওয়ার ইবনে আকরাম (রাঃ)- মিশকশরীফ২২১/২২২।

২১। নবীজী আমাদের কারো মত নয় ঃ মিশকাত শরীফ ২৭ পৃঃ হযরতআনাস (রাঃ) (মত্তাফাকুন আলাইহি), ১৭৫, ৪৫৬, ৪৫৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ), মিশকাত শরীফ ১১১ পৃঃ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৪৫৪ পৃঃ ইবনে মাসউদ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), ৫৪৫ পৃঃ হযরত আবু জজ (রাঃ) ও আয়েশা (রাঃ) (দারেমী ও আবু দাউদ), ৫৭৩ পৃঃ হযরত আবু সালমা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ডের কিতাবুস সাওমে), মিশকাত শরীফ ২৬৩, ১০৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৮৩ পৃঃ হযরত উরওয়াহ ইবনে হিশাম (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। মুসলিমশরীফ ১মখন্ড ৩৫২পৃঃ, মিশকাত শরীফ-১১১পৃঃহযরতআবদুল্লাহ ইবনে আমরইবনেআস(রাঃ), ১ম খন্ড ৩৬৮পৃঃ হযরত কাতাদা (রাঃ), ১ম খন্ড ৩৫১পৃঃ-হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) মিশকাত শরীফ-২৭পৃঃ হযরত আনাস (রা) ও ১২৭পৃঃ ৪৫৬পৃঃ ৪৫৭পৃঃ বুখারী শরীফ২য়ঃ-১০৮৩পৃঃ হযরত উরওয়া ইবনে হিশাম (রাঃ) ও বুখারাী শরীফ ২য়ঃ-১০৮৪পৃঃআবু

২২। নবী করিম (দঃ) নিজেই মিলদুন নবীর দিনে ইবাদত করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ১৭৯ পৃঃ হযরত আবু কাতাদাহ (রাঃ) (মুসলিম), মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত ইবরাজ ইবনে সারিয়া (রাঃ) (শরহে সু্ন্নাহ ও আহমদ) মুসলিমশরীফ ১ম-৩৬৮পৃঃ বুখারী শরীফ:-২য় খন্ড ১১ও ৬৬২পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ), বুখারী শরীফ:-২য় খন্ড ৭৬৪পৃঃ উরওয়া (রাঃ), ৮ নং পৃঃ হাশিয়া ইবনে যোবাইর (রাঃ), বুখারী শরীফ:-২য় খন্ড কিতাবুননিকাহ হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ), বুখারী শরীফ:-১ম খন্ড ৫৫৪পৃঃ, বুখারী শরীফ: বুখারী শরীফ:–২য় খন্ড ৫৬৬পৃঃ, বুখারী শরীফ:-১ম খন্ড ৫৫৫পৃঃ, আরওয়াহ ইবনে যোবইর (রাঃ)। মিশকাত শরীফ ৩৬৮ ও ৪১৯পৃষ্ঠা বায়হাকী শরীফ ১ম খন্ড ৭২-৭৩ ও২য় ১৩৩পৃঃ মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩১০ পৃঃও মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩৬৮পৃঃ মুসনাদে আহমদ ৫ম খন্ড ২৮৭পৃঃ।

২৩। নবীজী নিষ্পাপ তাঁর প্রমাণ ঃ মিশকাত শরীফ ২৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৩২১ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ২৬৯ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) ফেরেশ্তা সহযোগিতা করে (তিরমীযি), ১০৮ পৃঃ হযরত মুগিরা (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), ৫১৫ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (দারেমী শরীফ)

২৪। নবীজীর প্রশংসা শত্রুর সামনেও প্রকাশ পায় ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৫, মিশকাত শরীফ ৫২৬ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও হযরত আনাস (রাঃ) (দারেমী ও বায়হাকী), ৫২৫ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

২৫। ঝড় পদার্থও নবীজীকে চিনে এবং বিরহে কান্না করে ও সালাম দেয় ঃ মিশকাত শরীফ ২৩২ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কুরত (রাঃ) উটনীর প্রতিযোগিতা (আবু দাউদ), মিশকাত শরীফ ৫২৪ পৃঃ হযরত জাবির বিন ছামুরা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ডের ২০১ পৃঃ), ৫৩৬ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বুরাইদা ৫৫৮ পৃঃ)

২৬। নবীজীর ডাকে গাছ-পালাও স্বতঃস্ফুর্ত সাড়া দান ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত আলী ইবনে আবু তালিব ও ইয়ালা ইবনে মুরওয়া ও আবু মূসা আশয়ারী (রাঃ) (দারেমী ও তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১২৫ পৃঃ), হযরত জাবের (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫০৬/৭ পৃঃ) নবীজির হাত মোবারকের উছিলায় কাষ্ঠ জীবিতঃ তিরমিযি শরীফ -২য়-২০৩পৃঃ- (উস্তুনে হাসানা) (মিশকাত শরীফ ৫৩২পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) হযরত আনাস (রাঃ) ১ম ৬৭পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ)।

২৭। নবীজীর মিরাজ শরীফ স্ব-শরীরে হয়েছে ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৬- ৫২৮ পৃঃ পর্যন্ত এর বিশাদ আলোচনা রয়েছে আশ য়াতুল লুমাত ৪র্থ ৫২৭পৃঃ ,শরহে আকাইদে নাসাফী ১০০পৃঃ, তাফসীরে আহমদী ৩২৮পৃঃও৩৩০পৃঃ,

২৮। নবীজী পর্দা করার আগে আজরাইলের অনুমতি ঃ ৫৪৭ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৪৯ পৃঃ হযরত জাফর ইবনে মুহাম্মদ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)মাওয়াহিবে লাদুনিয়া ১ম ৪৭১পৃঃ।

২৯। নবীগণ জীবিত ও তাঁদেরকে রিযিক দেওয়া হচ্ছে ঃ মিশকাত শরীফ ৮৬,পৃঃ মিশকাত শরীফ ৮৭,পৃ মিশকাত শরীফ ৫১০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ১২০ পৃঃ হযরত আউস ইবনে আউন (রাঃ) (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ১১৯ পৃঃ, দারেমী, বায়হাকী), মিশকাত শরীফ ১২১ পৃঃ আবু দারদাহ (রাঃ) (ইবনে মাজাহ), ৩৩০ পৃঃ হযরত মাসরুক (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ১২৩ পৃষ্ঠা।

৩০। নবীজীর রওজা জিয়ারতের ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ২৪১ ও মিশকাত শরীফ ২৪২ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ২৪০ পৃঃ ইবনে ওমর ও আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩১৪ পৃঃ আবু হুরায়রা রাঃ হতে), মিশকাত শরীফ ২৩৯ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৪৭৫ পৃঃ হযরত আবু বকর (রাঃ) (আবু দাউদ ২৭৪ ও ২৭৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা রাঃ হতে বর্ণিত) আবু দাউদ শরীফের ২৭৯ নাম্বার পরিপূর্ণ পৃষ্ঠায় এবং ঃআবু দাউদ শরীফের ২৭৪ পৃষ্ঠায় হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে ও ‘আবু দাউদ’ শরীফ ১ম খন্ডের ১৫৭ পৃষ্ঠায় এবং ইবনে মাজাহ শরীফের ১১৯ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

৩১। নবীজীর রওজায় সকাল-সন্ধ্যায় ১৪০ হাজার ফেরেশতা সালাতো সালাম জানায় ঃ
৫৪৬ পৃঃ হযরত নূহায়তা ইবনে ওয়াহাব (রাঃ) (দারেমী শরীফ)মাদারিজুন নবুয়ত ১ম ৪৮০পৃঃ ।

৩২। নবীজী জীবিত এবং তাঁহার মসজিদে নববীতে আজও উচ্চস্বরে কথা বলা নিষেধ ঃ
মিশকাত শরীফ ৭১ পৃঃ হযরত ছায়েব বিন ইয়জিদ (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ২১৯ পৃঃ আবু দারদাহ (রাঃ) (তিরমীযি)।

৩৩। মুসা (আঃ) বাহ্যিক সূরতে থাকলে আমি নবীর অনুসরণ করতে হত ঃ
মিশকাত শরীফ ৩০ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বায়হাকী ও মুসনাদে আহমদ)।

৩৪। হুলিয়া শরীফ নবীজীর ঃ মিশকাত শরীফ ৫২০ পৃঃ আব্দুল্লাহ হাবিন আল হাবেন জাযইন (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

৩৫। নবীজীর দরূদ ছাড়া কোন ইবাদত কবুল হয়না ঃ মিশকাত শরীফ ৮৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ১৮৬ পৃঃ), মিশকাত শরীফ ৮৭পৃঃ দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৯৮ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) আবু দাউদ শরীফের ৪৬৮ পৃষ্ঠায় হযরত ওমর (রাঃ) তিরমিজি শরীফ ১ম খন্ড ৬৪পৃঃ ও ১ম খন্ড ৭৬পৃঃ ।

৩৬। নবী করিমের উপর দরূদ ২৪ ঘন্টায় পড়া যায় ঃ মিশকাত শরীফ ৮৬ পৃঃ হাফেজ হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) (তিরমীযি)।

৩৭। নবীজী বিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুর জন্য রহমত ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫ পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (দারেমী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)। ৫১৫ পৃঃ হযরত আবু মূসা আশয়ারী (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)

৩৮। মিলাদুন নবী (দঃ) উপলক্ষে আনন্দ উলস্নাস করা সুন্নাতে সাহাবা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৬ পৃঃ হযরত বারা ইবনে আজিব (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ৪১৯ পৃঃ ও বুখারী শরীফ ৭৬৪ পৃঃ ৮ নং হাশিয়া), ৫৪৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদ ও দারেমী)।

৩৯। নবীজীর মিলাদ শরীফ সম্পর্কে নিজেই বলেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত আব্বাস (রাঃ) (তিরমীযি ও দারেমী) ১১ পারা ৪৯ নং সুরা তাওবা ৯ নংআয়াত ১২৮ , ২৮ পারা ৬১ নং সুরা সাফ ৬নংআয়াত . ৬ পারা ৫ নং সুরা মায়েদা ১৫ নংআয়াত ।


৪০। আলস্নাহ ও তাঁর রাসূল নিজ অনুগ্রহে ধনী করে দেন ঃ মিশকাত শরীফ ১৫৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩২ পৃঃ হযরত মুয়াবিয়া (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি) ও ১০ম পারা, ৯ নং সূরা, ৭৪ নং আয়াত।

৪১। সমসত্দ বিশ্ব আলস্নাহর মালিকানায়, রাসূল (দঃ)- এর ব্যবস্থাপনায় ঃ
মিশকাত শরীফ ৩৫৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), ইবনে ওমর (রাঃ) ও হযরত মালেক আউস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৪২। নবীজী বলেন, আমি আল্লাহকে দেখেছি ঃ মিশকাত শরীফ ৭১/৭২ পৃঃ হযরত মুয়াজ বিন জাবাল (ােঃ) (আহমদ ও তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৬৯ পৃঃ হযরত আব্দুর রহমান ইবনে মাইশ (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), মিশকাত শরীফ ৫০১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ও আবু যর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

৪৩। নবী করিম (দঃ) বলেন, আমি মদীনা থেকে আবে কাওছার দেখতেছি ঃ নবীজি সামনে পিছনে সব সমান দেখেনঃ মিশকাত শরীফ ৯৮পৃঃহযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৫৪৭ পৃঃ হযরত উকবা ইবনে আমির (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), ৫৪৮ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) ( মিশকাত শরীফ ৬৮ পৃঃ)। মুসলিমশরীফ ১ম খন্ড ৩২০. মুসলিমশরীফ ৩২৪ হযরত আনাস (রাঃ) মুসলিমশরীফ ১ম- ৯৬ পৃঃ বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৮পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৫৯পৃঃ, ১ম খন্ড বুখারী শরীফ ১৫২পৃঃ, ১ম খন্ড ৪২পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭৭৯পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭৩পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), , বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭৪২পৃঃ আবু উবাইদা (রাঃ) , বুখারী শরীফ১ম খন্ড ২৬৩ ও বুখারী শরীফ ১০৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), ১ম খন্ড ২৬২ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ), ১ম খন্ড ২৮৩ ও ২৬৪পৃঃ, ২য় খন্ড ১০৮৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৭৫পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) ও হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৮৩পৃঃ উরওয়াহ ইবনে হিশাম (রাঃ) । বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭১৭পৃঃ আমর ইবনুল আস (রাঃ: বুখারী শরীফ:–২য় খন্ড ৯৭০পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাঃ) বুখারী শরীফ:-, বুখারী শরীফ:-৭৪২ পৃঃ হযরত আবু উবাইদা (রাঃ)।

৪৪। যখন মসজিদে প্রবেশ করবে নবীজীকে সালাম করবে এবং সালাম করে বের হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৬৮ পৃঃ হযরত আবু হুসাইন (রাঃ) (মুসলিম), মিশকাত শরীফ ৭০ পৃঃ হযরত ফাতেমা বিনতে হুসাইন (রাঃ) (তিরমীযি, আহমদ, ইবনে মাজাহ৫৬পৃঃ ) আবু দাউদ শরীফ ৬৭পৃঃ ।

৪৫। রাহমাতালি্লল আলামীনের উম্মতের মর্যাদা ঃ মিশকাত শরীফ ৪৮৫ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ), (বুখারী), মিশকাত শরীফ ৪৯৮ পৃঃ হযরত বুরায়দা (রাঃ) (তিরমীযি, দারেমী), মিশকাত শরীফ ৫৮৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি), হযরত জাফর ইবনে সাদিক (রাঃ) (রাওয়াহু রাবীন), মিশকাত শরীফ ৫৮৩/৫৮৪ পৃঃ আমর ইবনে শুয়াইব (রাঃ) (বায়হাকী)।

৪৬। নবীজীর প্রশংসা করা ফরজঃ মিশকাত শরীফ ৪০৯পৃ বারা ইবনে আজিব (রাঃ) ওহযরত আয়েশা (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৪১০পৃঃ। ওহযরত আয়েশা (রাঃ)পৃঃ।

৪৭। নবীজীর বিরুদ্ধচারীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করা সুন্নতে সাহাবা ঃ মিশকাত শরীফ ৪০৯ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (মুসলিম),ও বারা ইবনে আজেব (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৪৮। রহমতে আলমের প্রেমিকদের যিম্মাদার আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৫ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (তিরমীযি), হযরত আয়েশা (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫৫৬ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (রাবীন)।

৪৯। নবীয়ে রামহমত আমাদের নিজেদের চাইতে অধিক দয়ালু ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫৪ পৃঃ হযরত উমাইয়া বিনতে রুকাইয়া (রাঃ) (তিরমীযি)।

৫০। নামাজের পর নবীজীর উপর দরূদ শরীফ পড়ার বিধান ঃ মিশকাত শরীফ ৮৬ পৃঃ হযরত ফুজালা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ১৮৬ পৃঃ)।

৫১। নবীজীর থুথু মোবারকের ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ৪০১, মিশকাত শরীফ ৫৪২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা
(রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২২৪ পৃঃ), মিশকাত শরীফ ৪০০ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (আহমদ, বায়হাকী), ৫৩১ পৃঃ বারা এর হাদীস রাফের হত্যা সম্পর্কে (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৫৭৭ পৃঃ), ৫৬৩ পৃঃ সাহাল ইবনে সায়াদ (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ ইয়াজিদ ইবনে উবাইদা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৩২, মিশকাত শরীফ ৫৬৩ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ), (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

৫২। নবীজীর চুল মোবারকের ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ২৩২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ১ম খন্ড ২৯ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩০৮ পৃঃ শারিক ইবনে শিহাব (রাঃ) (নাসাঈ শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩৮৪ পৃঃ ওয়ালিদ ইবনে উকবাহ (রাঃ) (আবু দাউদ), মিশকাত শরীফ ৩৯০ পৃঃ হযরত ওসমান ইবনে আব্দুল্লাহর ইবনে মাওহাব (রাঃ) হতে নবীজীর একটি চুল মোবারকের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে (বুখারী শরীফ), ৫১৭ পৃঃ উম্মে সুলাইম (রাঃ) ঘামের সু-ঘ্রাণ (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৫৩। আল্লাহ তায়ালা আমাকে কাওছারের মালিক বানিয়েছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৬৮, মিশকাত শরীফ ৪৮৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ১৭৩/ ১৭৪ পৃঃ হযরত সালমান ফারসী (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৪৮৬ পৃঃ হযরত সাহাল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)

৫৪। আমি শেষ নবী ঃ মিশকাত শরীফ ৫১১, মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫০/ ৫১ পৃঃ সাইব ইবনে ইয়াজিদ (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত ইবরাজ (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ হযরত আমর ইবনে কাইস (রাঃ) (দারেমী), মিশকাত শরীফ ৫৬৩ পৃঃ হযরত সায়াদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৫৮ পৃঃ হযরত উকবা ইবনে আমির (রাঃ) (তিরমীযি)।

৫৫। নবী করিম (দঃ) ও সাহাবীদের উসিলা ঃ আযানের পরে সালাম ও দরূদ প্রসঙ্গে- মিশকাত শরীফ ৬৪ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাঃ) (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ), হযরত আব্বাস (রাঃ) কে উসিলা করে মিশকাত শরীফ ১৩২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (দারে কুতনী), মিশকাত শরীফ ৩৩৭ পৃঃ হযরত উকবা ইবনে আমের (রাঃ) (ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ), মিশকাত শরীফ ৫১২, মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)- এর হাদীস (মুত্তাফাকুন আলাইহি, তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫৪৫ পৃঃ হযরত জুজ (রাঃ) (দারেমী)।

৫৬। হজ্জ ছাড়া অন্য সময় চুল মুড়ানো সম্পূর্ণরূপে নিষেধ ঃ মিশকাত শরীফ ৩০৯, মিশকাত শরীফ ৪৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (নাসায়ী শরীফ ২য় খন্ড ১৫৬ পৃঃ ও ২য় ৩৪০ পৃঃ), মিশকাত শরীফ ৩০৭/ ৩০৮ পৃঃ আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (আবু দাউদ), ২৩২ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (মুত্তাফাকুন আলাইহি বুখারী শরীফ ২য় ১১২৪পৃঃ ), হযরত ইয়াহ ইবনে হুসাইন (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

৫৭। রহমতে আলম নবী গরীবের বন্ধু ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৬ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৪৪৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি, বায়হাকী, ইবনে মাজাহ শরীফ)।

৫৮। আহলে বাইতের ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬৪- ৫৬৫ পৃঃ পর্যন্ত, মিশকাত শরীফ ৫৭৩ পৃঃ হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ শরীফ) ৪ পারা ৩ নং সুরা আল ইমরান ১০৩নংআয়াত, ২২ পারা ৩৩ নং সুরা আহযাব ৩৩নংআয়াত ,২৫ পারা ৪২ নং সুরা ২৩নংআয়াত ।


৫৯। সাহাবায়ে কেরামদের ফজিলত ও মর্যাদা ঃ মিশকাত শরীফ ২৯/ ৩০ পৃঃ হযরত ইবরাজ (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি, ইবনে মাজাহ ও আবু দাউদ শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৫৪ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (বুখারী), হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) (তিরমীযি), হযরত আনাস (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), হযরত জাবের (রাঃ), ৫৫৩ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৬০। আমার সাহাবীকে সমালোচনার পাত্র বানাইওনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৪ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) (তিরমীযি) মিরকাত শরহে মিশকাত ১১তম খন্ড ২৭৮পৃঃ।

৬১। সাহাবায়ে কেরাম সত্যের মাপকাঠি ঃ মিশকাত শরীফ ৩২৪ পৃঃ হযরত মুয়াজ বিন জাবাল (রাঃ) (তিরমীযি, আবু দাউদ ও দারেমী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩২৭ পৃঃ হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি) মিশকাত শরীফ, ৪০৬ পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ)।

৬২। নবীজীর হেরা গুহার সাথী ঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ), মিশকাত শরীফ ৫৫৬ পৃঃ হযরত সুরাইয়া ইবনে উবাইদ (রাঃ)।

৬৩। হিজরতের সময় হেরা গুহার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৬ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (রাওযাহু বাযীন), মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত হিবাম ইবনে হিসাম (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ)।

৬৪। ইয়াজিদ মসজিদে নববীতে ৩ দিন আযান দিতে দেয় নাই ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৫ পৃঃ হযরত সাইদ ইবনে আজিব (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

৬৫। নবীজী হলেন জ্ঞান ও বিজ্ঞানের ধারক ও বাহক ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬৪ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫৬৯- ৫৭০ পৃঃ হযরত আব্বাস (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৩৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২১৪ পৃঃ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।

৬৬। আমি উত্তম যুগের মাধ্যমে স্নানান্তর হয়েছি ঃ মিশকাত শরীফ ৫১১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত ৬ নং হাশিয়া (বুখারী শরীফ) ও হযরত ওয়াসিলা ইবনে আসকাহ (রাঃ) (তিরমীযি), মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত আব্বাস (রাঃ) (তিরমীযি ও দারেমী) মুসলিমশরীফ ২য়-১৪৫পৃঃ- আনাস (রাঃ) বায়হাকী শরীফ ১ম খন্ড ১৬৬পৃঃ ।

৬৭। উহুদ পাহাড় আমাকে ভালবাসে ঃ মিশকাত শরীফ ২৪০ পৃঃ সাহল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (বুখারী শরীফ) ও হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৬৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), (মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ৬৭২ পৃঃ- হযরত কাতাদাহ (রাঃ) হতে) ও (মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ২৮২ পৃঃ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে) তিরমিযি শরীফ ২য়-২০৩পৃঃ-
মিশক্বাত শরীফ – ৫২৪ জাবের ইবনে সামুরা (রাঃ)- পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) ও হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪০১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫২১ পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৫৭৩ বুখারী শরীফ ২য় ৫৮৫ পৃঃ , বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ২০০ পৃঃ আবু হুমাইদ সায়েদী (রাঃ) সঃমুসলিমশরীফ২য়-৬৭২পৃঃকাতাদাহ(রাঃ), আনাস(রাঃ),উকবা(রাঃ) মুসলিমশরীফ ২য়-২৮২পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।

৬৮। আমাকে স্বপ্ন দেখা সত্য সত্য আমাকে দেখা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯৪পৃআবু হুুরায়রা রাঃ বুখারী শরীফ) ও আবু কাতাদাহ রাঃ(তিরমীযি),

৬৯। রাসুলে কারিম দঃ ্এর দোয়া বিদ্যুতের চাইতে আরো বেশী গতিতে কবুলঃ মিশকাত শরীফ ১৯৫, মিশকাত শরীফ ৫৩৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি, মুসলিম শরীফ) ও হযরত আনাস (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি), মিশকাত শরীফ ৫৫৭, মিশকাত শরীফ ৫৬৯ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি, বুখারী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৬৪ পৃঃ হযরত উম্মে আতিয়া (রাঃ) (তিরমীযি, মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৭৫ পৃঃ উম্মে সুলাইম (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি)।

৭০। বদরের যুদ্ধে ও হুদায়বিয়ায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন তারা জান্নাতী ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭৭ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (মুত্তাফাকুন আলাইহি) ও মিশকাত শরীফ ৫৭৮ পৃঃ রিফাতা ইবনে রাফে (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

৭১। ওলীগণের শান ঃ মিশকাত শরীফ ১৯৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৬৩ পৃঃ),৪২৬পৃঃ হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল (রাঃ) (মুয়াত্তায়ে মালেক, তিরমীযি শরীফ), মিশকাত শরীফ ৪২৭পৃঃ
হযরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ)।

৭২। আউলিয়া কেরামদের কেরামত ঃ মিশকাত শরীফ ৪৫৫ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৪৬ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) নাহরাওয়ানদের যুদ্ধের ঘটনা (১৬০০ মাইল), (বায়হাকী শরীফ)।

৭৩। আউলিয়ায়ে কেরামগন আল্লাহর পক্ষ থেকে সৃষ্টিকে সাহায্য করেন ঃ মিশকাত শরীফ ১৯৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৬৩ পৃঃ), মিশকাত শরীফ ৫৭৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি ও বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৮১ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৮২ পৃঃ হযরত শুরাইদ ইবনে উবাইদ (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), সূরা নমল আয়াত নং- ৪০।

৭৪। বাইয়াত গ্রহন করা জায়েজ এবং রাসূল (দঃ) পর্যনত্দ পৌছে দেয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪০৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫২৫ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৭৮ পৃঃ হযরত হাফসা (রাঃ) হুদায়বিয়ার সন্ধির ঘটনা (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৬১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

৭৫। নারীরা ও বাইয়াত গ্রহন করতঃ যা কোরআন মজীদ ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫৪ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩৫৪ পৃঃ হযরত উমাইয়া বিনতে রুকাইয়া (রাঃ) (তিরমীযি, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, মুয়াত্তায়ে মালেক শরীফ)। (সূরা ফাতাহ ২৬ পারা ১০ নং আয়াত), (তাফসীরে রুহুল বায়ান ও সাভী)

৭৬। নূর নবীজী ও সাহাবায়ে কেরামদের মত ও পথ অনুসরন করবে যারা তারাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ঃ মিশকাত শরীফ ৩০ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আহমদ, নাসায়ী, দারেমী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩০ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩০ পৃঃ হযরত মুযাবিয়া (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ ও আবু দাউদ শরীফ), মিশকাত শরীফ ২৯/ ৩০ পৃঃ হযরত ইবরাজ ইবনে সারিয়াহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

৭৭। ওহাবীরা ইসলামের দুশমন, তাদের সম্পর্কে রাসূল (দঃ) তাঁর সাহাবায়ে কেরামদের হুশিয়ারী করে দিয়েছেন ঃ মিশকাত শরীফ ২৮ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ২য় ৩৪০পৃঃ), মিশকাত শরীফ ৩৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩৮ পৃঃ হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) (দারেমী ও দারে কুতনী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩০৭/ ৩০৮ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১১২৪পৃঃ ), মিশকাত শরীফ ৩০৮ পৃঃ সারিক ইবনে শিহাব (রাঃ) (নাসা্য়ী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৩৪ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫৮২ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (বুখারী শরীফ) নাসায়ী শরীফ ২য় খন্ড ১৫৬ পৃঃ।

৭৮। ফরজ নামাজের পর হাত তুলে দোয়া করার দলীল ঃ মিশকাত শরীফ ৭৯ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), মিশকাত শরীফ ১০৯ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ বাহেলী (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ১৮৮ পৃঃ ও আবু দাউদ শরীফ ২০৯ পৃঃ হযরত মালেক ইবনে ইয়াসার (রাঃ)।

৭৯। হাত তুলে দোয়া করার বিধান ঃ মিশকাত শরীফ ১৯৪ পৃঃ হযরত নূমান ইবনে বশীর (রাঃ) (আহমদ, মুসনাদে আহমদ, তিরমীযী, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৫ পৃঃ হযরত মালেক ইবনে ইয়াসার (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ ২০৯ পৃঃ), মিশকাত শরীফ ১৯৫ পৃঃ হযরত সালমান ফারসী (রাঃ) (তিরমীযি, আবু দাউদ, বায়হাকী, আহমদ শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৬ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৬ পৃঃ হযরত সাইদ ইবনে ইয়াজিদ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), মিশকাত শরীফ ১৯৬ পৃঃ হযরত ইকরামা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) আবু দাউদ শরীফের ২০৯ পৃষ্ঠায় মালিক ইবনে ইয়াসার (রাঃ) হতে, ‘আবু দাউদ’ শরীফ ১৬৫/ ১৬৬ পৃষ্ঠায় হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।

৮০। কবর যিয়ারত জায়েজ এবং সওয়াবের কাজ ঃ মিশকাত শরীফ ১৫৪ পৃঃ পরিপূর্ণ এবং ২ নং হাশিয়া, ১১৪ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ), ২৪০ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), (আবু দাউদ শরীফ ৪৬১ পৃঃ ৪ নং হাশিয়া), (বায়হাকী শরীফ ২৪১ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ), ‘আবু দাউদ শরীফ’ ২য় খন্ডের ৪৬০ পৃষ্ঠায় হযরত আনাস (রাঃ), ২য় খন্ডের ৪৬১ পৃষ্ঠায় অনেক সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) সূত্রে ‘মেশকাত’ শরীফের ১৫৪ পৃষ্ঠায় এবং ‘নাসায়ী শরীফ’১ম খন্ড ২২২পৃঃ বাবে যিয়ারাতুল কুবুর পরিচ্ছেদে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) । ‘আবু দাউদ শরীফের ৪৬১ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ার ও ‘মেশকাত’ শরীফের ১৫৪ পৃষ্ঠার ২ নং হাশিয়ায়
৮১। জানাযা নামাজের পর দোয়া করা সুন্নাতে রাসূল (দঃ) ঃ মিশকাত শরীফ ২৬ পৃঃ হযরত ওসমান (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ১৪৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (কবর বাসীর জন্য দোয়া) (আবু দাউদ ও (ইবনে মাজাহ শরীফ), ২০৪ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ শরীফ)।

৮২। কবরের উপর গম্ভুজ তৈরী জায়েজ, তাঁর দলিল ঃ মিশকাত শরীফ ১৪৯ পৃঃ হযরত মুত্তালিব ইবনে আবু উবায়দাহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ও মিশকাত শরীফ পৃঃ ১৫২ পৃঃ ইমাম বুখারী (রাঃ)। বুখারী শরীফ১৭৬ পৃঃ

৮৩। হাত পায়ে চুম্মন দেওয়া সুন্নাতে সাহাবা ঃ মিশকাত শরীফ ১৭ পৃঃ হযরত সাফওয়ান আসয়াল (নাসাঈ, তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ), ৪০২ পৃঃ হযরত বারা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ও হযরত আয়েশা (রাঃ) ও বারা (রাঃ), ৪০২ পৃঃ জাফর ইবনে আবু তালেব (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), ১৪১ পৃঃ হযরত উসমান ইবনে মাযউন (রাঃ) ৪ নং হাশিয়া নাসায় িশরীফ ১ম খন্ড ১৫৩পৃঃ।

৮৪। ইসলামে গান বাজনা জায়েজ নেই ঃ মিশকাত শরীফ ৪১১ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ) ও হযরত নাফে (আবু দাউদ শরীফ), ৫৫৮ পৃঃ হযরত বুরাইদা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), ৩৭৭ পৃঃ হযরত ইবনে জুবাইর (রাঃ) এবং হযরত আব্দুর রহমান ইবনে হাইওয়ান (রাঃ), ৫৫৮ পৃঃ হযরত বুরায়দা (রাঃ)।

৮৫। নিজের ইচ্ছায় কোরআন মাজীদকে ব্যাখ্যা করলে জাহান্নামী ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ) ও হযরত জুনছর (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।

৮৬। নূর নবীজী জান্নাতের জামিনদার ঃ মিশকাত শরীফ ৪১১ পৃঃ হযরত সাহাল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (বুখারী শরীফ ও তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ৬৪ পৃঃ), ৪১৫ পৃঃ হযরত উবায়দা ইবনে সামেত (রাঃ) (আহমদ ও বায়হাকী শরীফ)।

৮৭। শবেবরাত ইসলামে জায়েজ, তাঁর দলিল ঃ মিশকাত শরীফ ১১৪ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ১১৫ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), আবু মুসা আশয়ারী (ইবনে মাজাহ ও মুসনাদ শরীফ) ও হযরত আলী (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ), ১০৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আবু দাউদ ও মুসনাদ শরীফ) তিরমিজি শরীফ ১মঃ- ৮৮পৃঃ৬৪ পৃষ্ঠায়, ও মুসলিম মশকাত শরীফের শরীফ ১ম খন্ডের ৩৯০ পৃষ্ঠা ফাতহুর রাববানী ১০মও১৩ম খন্ড , বায়হাকী শরীফ ৫ম খন্ড , তাফসিরে আয়াতুল আহকাম ৪ম খন্ড , তাফসিরে কাশফুল আসরার ৯ম ৯৪প ওৃ৯৮পৃঃ ঃ তাফসিরে খাজেন ৪র্থ খন্ড তাফসিরে জাদুল মাছির ৭ ৮ম খন্ড তাফসিরে ইবনে হাতেম ৭ম খন্ড ,তাফসিরে কোশাইরী ৩য় খন্ড ,তাফসিরে আবু সৌউদ ৬ষষ্ট , তাফসিরে কাসেমী ৮ম ,তাফসিরে রহুল মায়ানী ৯ম ,তাফসিরে নুসুকী ৩য় -৪র্থ ,তাফসিরে দুররে মানসুর ৭ম ৪০১পৃঃম , তাফসিরে কাদের ৪র্থ ,তাফসিরে মাযহারী ৮ম ৩৬৮পৃ, তাফসিরে কবির ২৭ ও২৮ম তাফসিরে জামিউল বায়ান ১১ম খন্ড তাফসিরে কুরতুবী ২য়খন্ড , তাফসিরে সাভী ৪র্থ খন্ড৪১০পৃঃ ২৪নং হাশিয়া তাফসিরে রুহুল বায়ান ৮ম ৪০১পৃঃ ৪র্থ ৪০৪পৃঃ ৩য় খন্ড ৫৯৮পৃঃ তাফসিরে জালালাইন ৪১০পঃ২৪ং হাশিয়া ৃতারগিব ওয়ার তারহিম ২য় খন্ড ৭৫পৃঃ হাদিস নং১৫৫, খতিবে বাগদাদী ১৪পৃঃ, নুজহাতুল মাজালিস ১ম খন্ড ১৫৬পৃঃ । হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), নুজহাতুল মাজালিস ২য় খন্ড ১৫৭পৃ( ইসা (আঃ) এর আখা ংকা )মিরকাত শরহে মিশকাত ২য় খন্ড ১৭৭পৃঃ ২য় খন্ড ১৭৬পৃঃ , মাজালেসুল আবরার ১৬৫পৃঃ , গুনিয়াতুত তালিবীন ৩৬৫পৃঃ ফাজায়েলে মাহে রমজান ২৬পৃঃও৪৮পৃঃ ,মোকাশাফাতুল কুলুব ৬৪০পৃঃ ১০১নংপরিচেছদ ,

৮৮। শবেকদরের রাত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম ঃ মিশকাত শরীফ ১৭৩/১৭৪তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১৩ তম ১১০ ১১৩ পৃঃ, ১৫ তম ২২১ পৃঃ (বায়হাকী শরীফ ৩য় খন্ড ৮২ পৃঃ), হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

৮৯। ইমাম মাহদী (আমার) ফাতেমার বংশধর ঃ মিশকাত শরীফ ৪৭১ পৃঃ উম্মে সালমা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ও হযরত ছাওবান (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ) ও হযরত আবু ইসহাক (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

৯০। আযানের পর দোয়া করার বিধান হাদীস দ্বারা প্রমাণ ঃ মিশকাত শরীফ ৬৫ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৮৬পৃঃ খন্ড ৮৬ পৃঃ)মাজমাউল জাওয়াদ ২য় খন্ড ৯৪/৯৫ পৃঃ উমদাতুলকারী শরহে বুখারী ৪র্থ খনাড ১৭৩পৃঃ বাহওে শরীয়ত ৩য় খন্ড ৩৭পৃঃ , কানযুল উম্মাল ৭ম খন্ড ৭০৪পৃঃ আল মুজামুল কবির ১২তম খন্ড ৬০পৃঃ ।

৯১। এলোমেলো চুলওয়ালার ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ৪৩৩ পৃঃ হযরত হারিস ইবনে ওয়াহাব (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৭৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি ও (বায়হাকী শরীফ) ও ফদলুল ফুকারা বাবের মধ্যে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি ও বায়হাকী শরীফ), ও (৪৪৬ পৃঃ মুসলিম শরীফ)।

৯২। কারা কারা জান্নাতে যাবে রাসূল (দঃ) জানেন ঃ ৫০৬ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৪৩ পৃঃ (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ৩৬ পৃঃ), ২১ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ (তিরমীযি শরীফ)।

৯৪। নবী করিম (দঃ)- এর উম্মত সবার শেষে, জান্নাতে যাবে সবার আগে ঃ মিশকাত শরীফ ৮০ হাজার খাদেম ৪৯৯ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (ইবনে মাজাহ ও দারেমী শরীফ) ও ৫১৪ পৃঃ হযরত আমর ইবনে কাইস (রাঃ) (দারেমী শরীফ)।

৯৫। আদম যখন মাটি ও পানিতে মিশ্রিত তখন আমি নবী ছিলাম ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৩ পৃঃ হযরত ইবরাজ (রাঃ) (ইবনে মাজাহ, আহমদ ও শরহে সুন্নাহ শরীফ) ও হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২০১ পৃঃ, সীরাতে হালবীয়া ১ম খন্ড ৩১ পৃঃ) মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ হযরত সালমা রাঃ (ইবনে মাজাহশরীফ) বায়হাকী শরীফ ১ম খন্ড ৮১পৃঃ , ও বায়হাকী শরীফ ২য় খন্ড ১২৯/১৩০পৃঃ ।

৯৬। রহমতে আলম নবী থেকে আমি কাউকে সুন্দর দেখিনি বা দেখি নাই ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৭ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (তিরমীযি ও দারেমী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৫১৮ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ) ও হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (দারেমী শরীফ)।

৯৭। রহমতে আলম নবী ও তাঁর সাথী ২জন ৬৩ বছর বেঁচে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫২১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)

৯৮। কাবা শরীফে ১ রাকআত নামাজ পড়ার ফজিলত ঃ মিশকাত শরীফ ৬৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) নিচের হাদীস (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

৯৯। সাত আসমান ও সাত জমীনের দূরত্ব ঃ মিশকাত শরীফ ৫১০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আহমদ ও তিরমীযি শরীফ)।

১০০। নবী ও রাসূলদের সংখ্যা ঃ মিশকাত শরীফ ৫১১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)- এর হাদীস ৫১২ পৃঃ- এর পূর্ব পর্যন্ত (আহমদ শরীফ) আবু দাউদ শরীফ ৬৪৯পৃঃ ।

১০১। সর্ব প্রথম ওহী আসার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫২১ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫১২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১০২। সিনা সাক হওয়ার ঘটনা হযরত হালিমা (রাঃ)- এর ঘরে থাকাকালে ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

১০৩। আল্লাহ ওয়ালা নারী দেখে বিবাহ করা ঃ মিশকাত শরীফ ২৬৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১০৪। বিবাহের মধ্যে দফ বাজানো জায়েজ আছে, ঢোল বাজনা নিষেধ ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৮ পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৫৮ পৃঃ হযরত বুরাইদা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ) মিশকাত শরীফ ২৭২পৃঃ হযরত হাতেম জমহী (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৫৭০ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ)।

১০৫। বৌ-ভাতের আয়োজন করা জায়েজ/ ওলীমা , মিশকাত শরীফ ২৭৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) ও পরের হাদীস ও হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাত শরীফ ২৭৮ পৃঃ হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) (তিরমীজি শরীফ) (বুখারী শরীফ ২য় ৭০৬ পৃঃ আনাস রাঃ) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৩৮ পৃঃ।

১০৬। বিনা দাওয়াতে মানুষের বাড়ীতে যাওয়ার পরিনাম ঃ মিশকাত শরীফ ২৭৮ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১০৭। শ্রমিকদের ঘাম শুকানোর আগেই তাঁর পারিশ্রমিক দিয়ে দাও ঃ মিশকাত শরীফ ২৫৮ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ)।

১০৮। ফারায়েজ সম্পর্কে আলোচনা ঃ ২৬৩-২৬৪ পৃঃ পর্যন্ত।

১০৯। শহীদদের কবরে রিযিক দেওয়া হয় ঃ মিশকাত শরীফ ৩৩০ পৃঃ হযরত মাসবুক (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) ও ৩৩১ পৃঃ হযরত (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৩৩৪ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) তিরমিজি শরীফ ২য় খন্ড ১২৩পৃঃ । ।

১১০। কিয়াম করা সুন্নাতে সাহাবা ঃ মিশকাত শরীফ ৪০৩ পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও হযরত আবু উমামা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ও হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

১১১। সত্য মানুষকে জান্নাতি পৌছে দেয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪১১/৪১২ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও ৪১৫ পৃঃ হযরত উবাদাতা ইবনে সামেত (রাঃ) (আহমদ ও বায়হাকী শরীফ)।

১১২। জান্নাতিদের বাজার শুক্রবারে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৯৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), ৪৯৯ পৃঃ হযরত সাইদ ইবনে মুসাইব (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ৪৯৯ পৃঃ হযরত আবু সাইদ (রাঃ) (তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ)।

১১৩। পরামর্শ উন্নতির সুগম করে ঃ মিশকাত শরীফ ৪২৯ -৪৩০ পৃঃ পর্যন্ত হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (আহমদ ও তিরমীযি শরীফ)।

১১৪। খালিদ ইবনে ওয়ালিদের চিটির ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৪২ পৃঃ হযরত আবু ওয়াসাক (রাঃ) ।

১১৫। নূর নবীজীর সাথে যদি আমরা ১ লাখ হতাম তাহলে পানি হত ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১১৬। আলী ওলামদের মর্যাদা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৪ পৃষ্ঠার সমস্ত হাদীসগুলি।

১১৭। আবু লাহাব রাসূল (দঃ) কে গালি দেওয়ার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৪৬০ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও ৫২২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৭০২ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৪৬১ পৃঃ)।

১১৮। মিসওয়াক সম্পর্কে রাসূলে পাকের হাদীস ঃ মিশকাত শরীফ ৪৫ পৃঃ হযরত আবু সালমা (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।

১১৯। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যিম্মায় ঃ মিশকাত শরীফ হযরত জুনদুব কাসরি (রাঃ) ৪১৫ পৃঃ (আহমদ ও বায়হাকী রাঃ)।

১২০। সুদের পরিণাম সম্পর্কে রাসূলের বানী ঃ মিশকাত শরীফ ২৪৪ হযরত জাবের(রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ২৪৫ পৃঃ হযরত হানযালা (রাঃ) (আহমদ, দারেমী ও বায়হাকী শরীফ) ও ২৪৬ পৃঃ আবু হুরায়রা (রাঃ)।

১২১। আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাকে জিজ্ঞাসা করেন প্রত্যেক নামাজ সম্পর্কে ঃ মিশকাত শরীফ ৬২ পৃঃ ১ম আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১২২। আবু জাহেলকে হত্যার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫১/ ৩৫২ পৃঃ হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৫৬৭ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ৩৮৮ পৃঃ)।

১২৩। নারীরা পুরুষের বেশ ধারন করা কবিরা গুনাহ ঃ মিশকাত শরীফ ৩৮০ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

১২৪। প্রত্যেক নেশা জাতীয় বস্তু হারাম ঃ মিশকাত শরীফ ৩৮৬ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ) ও হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ও হযরত আবু মুসা আশয়ারী (রাঃ) (আহমদ ও আবু দাউদ শরীফ)।

১২৫। কালি জিরা সকল রোগের ঔষধ মৃতু্য ছাড়া ঃ মিশকাত শরীফ ৩৮৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৩৮৮ পৃঃ আবু দারদাহ (রাাঃ) (আবু দাউদ শরীফ) ।

১২৬। ইসলামী শরিয়তে দাড়ি রাখা ওয়াজিব ঃ মিশকাত শরীফ ৩৮০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) ও হযরত আনাস (রাঃ (মুসলিম শরীফ)।

১২৭। ইমান মানুষের বড় সম্পদ ঃ মিশকাত শরীফ (১৯-২৪) পৃঃ পর্যন্ত।

১২৮। মুমিনের মেরাজ ও জান্নাতের চাবি হল নামাজ ঃ মিশকাত শরীফ (৫৭-৬০) পৃঃ পর্যন্ত।

১২৯। রোজা মুমিনের ডাল স্বরূপ ঃ মিশকাত শরীফ (১৭৩-১৭৪) পৃঃ পর্যন্ত।

১৩০। হজ্জ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ ঃ মিশকাত শরীফ (২২০- ২২৩) পৃঃ পর্যন্ত।

১৩১। ধনী প্রত্যেক ব্যক্তিকে যাকাত দিতে হবে ঃ মিশকাত শরীফ (১৫৫- ১৫৮) পৃঃ পর্যন্ত।

১৩২। পর্দা করা প্রত্যেক মুমিনের উপর ফরজ ঃ মিশকাত শরীফ ২৬৯ পৃঃ হযরত উম্মে সালমা (রা) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।

১৩৩। রাসূলে পাক বলেন, আমি যা দেখি তোমরা তা দেখ না ঃ মিশকাত শরীফ ২৫ পৃঃ হযরত যায়েদ ইবনে সাবেত (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৯৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), ৪৫৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৩১, ৫৩৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, বদর যুদ্ধের কাহিনী সম্পর্কে (মুসলিম শরীফ), ৪৫৭ পৃঃ হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ৫৬০ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তারকার সমান সওয়াব সম্পর্কে (রাওয়াবাযীন শরীফ), ৫৪৬ পৃঃ হযরত উবাই ইবনে আমের (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৩৪। অনেক লোকজন নিয়ে যিকির আযকার করার দলিল ঃ মিশকাত শরীফ ৯৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

১৩৫। হযরত ওয়েসকরোনী (রাঃ) সম্পর্কে রাসূলে করিম (দঃ)- এর নিঃসৃত বানী ঃ মিশকাত শরীফ ৫৮১- ৫৮২ পৃঃ হযরত ওমর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ২য় ৩১৫ পৃঃ)।

১৩৬। কুরআনুল কারীম ও সুন্নাহকে আকড়ে ধরলে পথভ্রষ্ট হবে না ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৮ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৬৮ পৃঃ হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৫৬৯ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

১৩৭। নবী করিমের ঘাম মোবারককে আতর রূপে ব্যবহার করতেন সাহাবীরা ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৭ পৃঃ হযরত উম্মে সুলাইম (রাঃ) বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫১২ পৃঃ (মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ২৫৬ পৃষ্ঠায়)- হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে নাসায়ী শরীফ ২য় খন্ড ২৫৭পৃঃ । । ‘

১৩৮। আসমানে এসে আল্লাহর ডাক ঃ মিশকাত শরীফ ১০৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) ও হযরত আমর ইবনে আবসাহ (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ), ১০৯ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) মিশকাত শরীফ ১১৪ পৃঃ হযরত আলী রাঃ ।

১৩৯। নবীজীর সুপারিশ সৃষ্টির জন্য অবশ্যই অবশ্যই কবুল হয় তার প্রমাণ ঃ মিশকাত শরীফ ১৩১ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

১৪০। অজানা রোগের চিকিৎসা হল জিজ্ঞেস করা ঃ মিশকাত শরীফ ৪৯৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত।

১৪১। দাড়িতে জট পাকালে উম্মত বলে বিবেচিত হবে না ঃ মিশকাত শরীফ ৩২৪ পৃঃ বাবু আদাবুল খালা, হযরত রুপাইপ ইবনে সাবিত (রাঃ)।

১৪২। একসময় ফরযিয়্যত নিয়ে মতভেদ দেখা দিবে ঃ মিশকাত শরীফ ২৬০ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে র্বর্ির্ণত, বাবুল উদুয়ি আহমিয়াতুত তুহুর, (আবু দাউদ শরীফ)।

১৪৩। শরীরের জন্য কদু উপকারী ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৪ পৃঃ হযরত ইসহাক বিন আবু তালহা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ১০৭ পৃঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮১০ পৃঃ)।

১৪৪। ডাক্তারের ডাক্তার নবীজী ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৬ পৃঃ হযরত সা’দ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ ৫৪১ পৃঃ)।

১৪৫। জ্বর হলে খানা খেতে হয় ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৭ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)্।

১৪৬। প্রতিদিন আমার কাছে উম্মতের আমল পেশ করা হয় ঃ মিশকাত শরীফ ৬৯ পৃঃ হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

১৪৭। ওজুর পানি নিয়ে সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ঃ মিশকাত শরীফ ৭৩ পৃঃ হযরত বেলাল (রাঃ) ও হযরত হুযায়ফা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪২৪ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৩১ পৃঃ ও ২য় খন্ড ৮৭১ পৃঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৫৮ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৭৪ ৪৮। নবীজী মদীনা শরীফে প্রবেশ করলে মদীনার অবস্থা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ২য় ৪১৯পৃঃ )।

১৪৯। নবীজী রাস্তা দিয়ে গেলে সু-ঘ্রাণ প্রবাহিত হত ঃ মিশকাত শরীফ ৫১২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ৫১৭ পৃঃ, হযরত উম্মে সুলাইম (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৫০। খাবার বরতন আল্লাহ তায়ালার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৮ পৃঃ হযরত নোবাইশ (রাঃ)।

১৫১। আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তথা ওলীদের দরবারে গেলে ক্ষমা পাওয়া যায় ঃ মিশকাত শরীফ ২০৩ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ৩৫৯, বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪৬৭ পৃঃ)।

১৫২। আল্লাহ তায়ালা তাঁর কুদরতি আকৃতিতে মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

১৫৩। নবীজীর আঙ্গুল মোবারকের ইশারায় পানির ঝর্না ঃ মিশকাত শরীফ ১৩২ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১২৭ ও ১ম খন্ড ১৩৮ পৃঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৩৮ পৃঃ, মিশকাত শরীফ ১২৯ পৃঃ ও তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২০৭ পৃঃ)।

১৫৪। নবীজী উম্মতের প্রাণের চাইতে ও নিকটে ঃ মিশকাত শরীফ ২৬৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ((বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৫৫। নামাজ ছেড়ে নবীজীর ডাকে সাড়া দিলে নামাজ ভঙ্গ হয়না বরং উত্তম নামাজ হয় ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৪ পৃঃ ৭ নং হাশিয়া, হযরত আবু সাঈদ ইবনে মুয়াল্লাহ (রাঃ) (বুখারী শরীফ) ।

১৫৬। নবীজী সামনে পেছনে একসমান ভাবে দেখতেন ঃ ৭৭ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), ৯৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৫৭। আল্লাহু ওয়ারাসূলুহু আ’লামু বলা জায়েজ ঃ মিশকাত শরীফ ১৩ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৩৬/ ৩৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ), ৮৩ পৃঃ হযরত নূ’মান ইবনে মুরওয়াতা (রাঃ) (মালেক ও দারেমী শরীফ), ৪৫০ পৃঃ হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), ৪৭২ পৃঃ হযরত আবু যর গিফারী (রাঃ), (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৪৭৫ পৃঃ হযরত ফাতেমা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৪৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ), ৫৩৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ)।

১৫৮। “ইয়া রাসূলাল্লাহ” বলা জায়েজ শির্ক নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ১৭৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৩৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৫৪২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ১৫৩ পৃঃ আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৩০ পৃঃ হযরত ইবনে আজীব (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫৩১ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৫৪৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৫৮২ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (বুখারী শরীফ), ৪৫৫ পৃঃ হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), ২৯২ পৃঃ হযরত আবু বকর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ), ৪৫০ পৃঃ হযরত আবু বকর (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ, তিরমিযী ও দারেমী শরীফ), ২৬০/ ২৬১ পৃঃ নূ’মান ইবনে বশীর (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ২৯৩ পৃঃ হযরত হেলাল ইবনে উসামাহ (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ), ৯৮ পৃঃ হযরত জাবের ইবনে সামুরাহ (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ১৮১ পৃঃ হযরত আজেব (রাঃ) (আবু দা্উদ ও ইবনে মাজাহ শরীফ), ১০১ পৃঃ হযরত উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), ৪২০ পৃঃ হযরত আবু সাঈদী (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), ৮৩ পৃঃ হযরত নু’মান ইবনে মুরওয়াতা (রাঃ)।

১৫৯। রবিয়া ইবনে আবি কা’ব আসলামী নবীজী থেকে যা পেলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৮৪ পৃঃ রবিয়া ইবনে কা’ব (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)। আবু দাউদ শরীফের ১৯৪পৃঃ বুখারী শরীফ ১০৫৭পৃঃ মিশকাত শরীফ ৮৪ ), মুসলিমশরীফ ১ম খন্ড ১৯৩ পৃঃ

১৬০ । নবীজী ইচ্ছা করলে পাহাড়কে স্বর্ণে রূপান্তরিত করতে পারতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫২১ পঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ ও ) মিশকাত শরীফ ৪৪২ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ বাহেলী (রাঃ) আহমদ ও তিরমিযী শরীফ)।

১৬১। আওলিয়ায়ে কেরামদের ব্যবহৃত জীনিস তাবরুক হিসেবে কবরে দেওয়া জায়েজ- এর প্রমাণ ঃ মিশকাত শরীফ ১৪৩ পৃঃ ৭নং ও ৮ নং হাশিয়ায় হযরত উম্মে আতিয়া (রাঃ) (বুখারী ১ম খন্ড ১৬৮ও ১ম ১৭০ পৃঃ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩০৫ পৃঃ, ইবনে মাজাহ শরীফ ২৬২ পৃঃ) নাসায়ী শরীফ ১ম খন্ড ২০৮পৃঃ ।

১৬২। নবীজীর কদম মোবারকের অনুকরনে হাশরে মানুষদেরকে সমবেত করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫ পৃঃ হযরত জুবাইর ইবনে মুতরিম (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৫১৫ পৃঃ হযরত আবু মুসা আশয়ারী (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

১৬৩। খায়বার যুদ্ধে হযরত আলী (রাঃ)- এর শৌর্যবীর্য প্রদর্শন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬৩ পৃঃ হযরত সাহাল ইবনে সায়াদ (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৬৪। নবীজীর কাছে ৩টি জিনিস প্রিয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৯ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ ও নাসাঈ শরীফ)।

১৬৫। গরীবদের উসিলায় আল্লাহ তায়ালা ধনীদেরকে সহযোগিতা করেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৭ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

১৬৬। হজ্জের ব্যাপারে নবীজী আমাদের উপর বড় ইহসান করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ২২০/ ২২১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

১৬৭। নবীর প্রেমিক ৪০টি হাদীসে পাক মুখস্থকরলে নবীজী সুপারিশ করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

১৬৮। নবীজীর দাড়ি ও চুল মোবারকে ধুলায় দূসরিত হওয়ার ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ উম্মে সালমা ৫৭২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী ও আহমদ শরীফ)।

১৬৯। আমার মুহাব্বতের কারনে আহলে বাইয়াতকে ভালবাসতে হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭৩ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), (১নং ও ৩ নং হাশিয়া ‘তিরমীযি শরীফ’)।

১৭০। হযরত উম্মে হারাম বিনতে মিলহানের ঘটনায় নবীজীর ইরমে গায়েবের খবর প্রকাশ পায় ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৫ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদ শরীফ)।

১৭১। নবীজীর হাত মোবারকের ফজিলত, হযরত উম্মে মাবাদের ছাগল থেকে দুধের পোয়ায়রা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত হিবাম ইবনে হিশাম (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ), ৫৬০ পৃঃ বুখারী ও মুসলিম শরীফ- এর কিতাবুল ওয়াফা ও ইসতিয়াব।

১৭২। নবীজী মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফের মুমিনদেরকে নিয়ে একসাথে হাশরে উঠবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

১৭৩। ইহুদী নেতা আবু রাফেকে যে ভাবে হত্যা করলেন সাহাবীরা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩১ পৃঃ বারা ইবনে আজিব (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৫৭৭ পৃঃ)।

১৭৪। আযানের পরে দরূদ ও সালাম ঃ মিশকাত শরীফ ৬৪ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ ৭৭ পৃষ্ঠায় কিতাবুল আযান), ওরওয়া ইবনে নোবাইর (রাঃ) (ফতোয়ায়ে শামী ১ম খন্ড ৫১৮ পৃঃ ও আল ফিকহুল মাযাহিবুল আলাল আরবায়া ১ম খন্ড ৩২৬ পৃষ্টা, মুসলিম শরীফ ১ম খন্ড ৩৯০ পৃঃ)।

১৭৫। কুরআন শরীফের হাফিজদের পিতা- মাতাকে নূরের টুপি পরাবেন আল্লাহ তায়ালা ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৬ পৃঃ মুয়াজজুহানী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ ও আবু দাউদ শরীফ)।

১৭৬। কুরআন শরীফের হাফিজগন ‘দশজন জাহান্নামীকে বেহেস্তে নিয়ে যাবে ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৭ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, তিরমীযি, ইবনে মাজাহ ও দারেমী শরীফ)।

১৭৭। একটার চাইতে আরেকটি শক্তিশালী ঃ মিশকাত শরীফ ১৭০ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

১৭৮। সাহাবীদের ঈমান পাহাড়ের চাইতে বেশি মজবুত ঃ মিশকাত শরীফ ৪০৬ পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ)।

১৭৯। নবীজী কারা কারা জান্নাতে যাবে তার নাম, পিতার নাম, এবং গোত্রের নামসহ জানেন ঃ মিশকাত শরীফ ২১ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

১৮০। হযরত আলী (রাঃ) সমস্যার কারনে চুর মুন্ডন করেছিলেন, নিজের ইচ্ছার কারনে নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৪৮ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (আবু দাউদ, আহমদ ও দারেমী শরীফ)।

১৮১। নবীজী অন্ধকার রজনীতে দুইজন সাহাবীকে ১টি লাঠি ভেঙ্গে দিলেন বাতি হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

১৮২। হাতিব ইবনে বালতায়ার চিঠির ঘটনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭৭ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৮৩। মদীনার ঈমান মদীনায় ফিরে যাবে ঃ মিশকাত শরীফ ২৯ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

১৮৪। মদীনায় ইনত্দেকাল করলে নবীজীর সুপারিশ করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ২৪০ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (আহমদ, তিরমীযি শরীফ)।

১৮৫। নবীজী কখনো কখনো বাবরী চুল রাখতেন ঃ (মেশকাত শরীফ ৩৮৪ পৃঃ)

১৮৬। ইক্বামতে হাইয়া আলাস সালাহ বললে দাড়ানো সুন্নাত ঃ মিশকাত শরীফ ৬৭ পৃঃ হযরত কাতাদাহ (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), তিরমীযি শরীফ ১ম খন্ড ৭৬ পৃষ্ঠায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত ও কিতাবুল ফিকহে আলাল মাযাহিবুল আরবায়া ১ম খন্ড ২২৩ পৃষ্ঠা ও শরহে বেকায়া ১ম খন্ড ১৩৬ পৃঃ উল্লেখ রয়েছে, (ফতোওয়ায়ে আলমগীরি ১ম খন্ড ৭৭ পৃঃ)।

১৮৭। বিতিরের নামাজ ৩ রাকআত ঃ মিশকাত শরীফ ১১২ পৃঃ হযরত আব্দুল আজিজ বিন জুরাইজ (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।

১৮৮। জান্নাতে দুনিয়ার ১০০ জন ব্যক্তির শক্তি দেওয়া হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৯৭ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ)।

১৮৯। হযরত আবু বকর (রাঃ) বলেন, আমি যদি (নবীজীর) আপনার সাথে থাকতাম তাহলে জান্নাত ঘুরে ঘুরে দেখতে পারতাম ঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

১৯০। ১০০ বছরের মাথায় একজন মুজাদ্দিদ আসেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

১৯১। মানুষের আকল অনুযায়ী শাস্তি হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৩০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

১৯২। নবীজী আসমানের দিকে ইশারা করলে ‘খানা’ ডেসকির মধ্যে এসে যেত ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ হযরত সামুরাতা ইবনে জুনদুব (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

১৯৩। নবীজীর ওফাতের পর যারা ফাসাদ সৃষ্টি করবে, তাদের নাম, পিতার নাম, বংশের নাম পর্যন্ত নবীজী বলে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৬৩ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।

১৯৪। নবীজীর দরবারে দোয়ার জন্যে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) আসলে, নবীজী বলে দিলেন তোমাকে এবং তোমার মাকে আল্লাহ আসার আগেই ক্ষমা করে দিয়েছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭১ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ২য় ২২২পৃঃ)।

১৯৫। তারাবীর নামাজ ২০ (বিশ) রাকয়াত (ইহা উত্তম বিদয়াত ঃ মিশকাত শরীফ ১১৫ পৃঃ হযরত আবদুর রহমান (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ২৬৯ পৃঃ)।

১৯৬। নবীজী ঈমানের মূল ঃ মিশকাত শরীফ ১২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ), ৪২৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখরী ও মুসলিম শরীফ)।

১৯৭। আহলে বায়াতের ভালবাসা ছাড়া ঈমান কলবে প্রবেশ করেনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭০ পৃঃ হযরত আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবিয়া (রাঃ) (তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২০৪।

১৯৮। নবীজী হালওয়া ও মধু ভালবাসতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৪ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৪৮ পৃঃ ও ১ম খন্ড ১০৪ পৃঃ, আবু দাউদ শরীফ ৫২২ পৃঃ)।

১৯৯। পাহাড় পরিবর্তন হওয়া বিশ্বাসযুগ্য তবে মানুষের চরিত্র পরিবর্তন হওয়া সম্ভব নয় ঃ মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ)।

২০০। নবীজী বলেন আমার উপর ঈমান এনেছে অথচ আমাকে দেখিনি তাদের প্রতি সু-সংবাদ সাত বার ঃ মিশকাত শরীফ ৫৮৪ পৃঃ হযরত আবু উমামাহ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

২০১। ইমাম হুসাইন (রাঃ) জন্মের পরে আযান দেওয়া হয়েছিল ঃ মিশকাত শরীফ ৩৬৩ পৃঃ হযরত আবু রাফে (রাঃ) (তিরমীযি ও আবু দাউদ শরীফ)।

২০২। নবীজির হাত মোবারকের লাঠি আলোকিত হল :- মিশকাত শরীফ ৫৪৪পৃ. হযরত আনাস (রা.)।

২০৩। শুক্রবার নবীজীর উপর দরূদ শরীফ বেশি পড়ার দিন ঃ মশকাত শরীফের ১২০ ।আবু দাউদ শরীফ ১ম খন্ডের ১৫৭ পৃষ্ঠায় হযরত আউস বিন আউস (রাঃ) ।

২০৪। শহীদগন বেহেস্তে সবুজ পাখির আকারে থাকে বা আছে ঃমেশকাত শরীফের ৫৩৫ পৃষ্ঠায় ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।

২০৫। নবীজী হাত দিয়ে বলে দিলেন সা’ফ তুমি হৃদ রোগী ঃ
‘আবু দাউদ শরীফ’ থেকে হযরত সা’ফ (রাঃ) সূত্রে ‘মেশকাত’ শরীফের ৩৬৬ পৃষ্ঠায় বর্ণিত

২০৬। ওলী গনের নিকট ইন্তেকালের পর ও সাহায্য চাওয়া জায়েজ ঃমিশকাত’ শরীফের ১৫৪ পৃষ্ঠার ২ নং হাশিয়ায় উল্লেখ রয়েছে।’আবু দাউদ শরীফের ৪৬১ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ার ।

২০৭। কেউ যদি নিজের ইচ্ছা তাফসীর করে তা শুদ্ধ হলেও ভূল হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৪/৩৫ু পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), আবু দাউদ শরীফের ৫১৪ পৃষ্ঠায় হযরত ইমরান ইবনে জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।

২০৮। নবীজিকে দেখার ফজিলতঃ মিশকাত শরীফ ৫৫৪পৃঃ মুসলিমশরীফ ১ম-২৬৪পৃঃহযরত আবু হূরায়রা (রা) তিরমিজি শরীফ ২য়ঃ ২২৬পৃঃ

২০৯। হাসান (রাঃ) ও হোসাইন (রাঃ) এর ভালবাসাঃ মুসলিমশরীফ -২য়-২৮৩পৃঃ- ইবনে আবু হুরায়রা (রাঃ)২য়ঃ ২৮৩পৃঃ

২১০। নবীজি সবকিছু জানেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-২৬৩পৃঃ আনাস (রাঃ) মুসলিমশরীফ ২য়-৩৬পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) (মিশকাত শরীফ৫০৬ বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭৭ পৃঃ ও বুখারী শরীফ ১০৮৩ পৃঃ, বাবে বেদাউল খালক বুখারী শরীফ ৪৫৩ পৃঃ ওমর (রাঃ),

২১১। আলস্নাহ তায়ালা নবীজির জন্য সমগ্র জগৎকে সংকোচিত করেছেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-৩৯০পৃঃ ছাওবান (রাঃ) (মিশকাত শরীফ পৃঃ৫১২পৃঃ)।

২১২। বদর যুদ্ধের সূচনার কাহিনী ঃ ‘আবু দাউদ শরীফ’ ২য় খন্ডের ৩৬১ পৃষ্ঠা হতে হযরত আলী (রাঃ) ‘মেশকাত’ শরীফের ৩৩৮ পৃষ্ঠায়।

২১৩। কদমবুচি ও হাতে চুম্মুনদেওয়া জায়েজঃ আবু দাউদ শরীফের ৭০৯ পৃষ্ঠায় ইবনে যিরায়া (রাঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে এবং মেশকাত শরীফের ১৭ পৃষ্ঠায় সাফওয়ান আসসাল (রাঃ) হতে, ৪০২ পৃষ্ঠায় বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ১৪৪পৃঃ হযরত সোহাইব (রাঃ), বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৮৮৬পৃঃ এর হাশিয়ায় ইবনে বাত্তাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৩পৃঃ ইমাম মুসলিম (মুকাদ্দামায়ে বুখারী )।

২১৪। নবীজী যখন মদীনায় গেলেন ‘হাবশিরা’ আনন্দ উৎসব পালন করেছিলেন ঃ
‘আবু দাউদ শরীফ’ থেকে নকল করে হযরত আনাস (রাঃ) ‘মেশকাত’ শরীফের ৫৪৭ পৃষ্ঠায় ।

২১৫। নবীজির একটা চুল মোবারকের বরকতে রোগীরা ভাল হয়ে যেত তার প্রমাণ ঃ-মিশকাত শরীফ-৩৯১ বুখারী ও
১৭৫.কবরকে সামনে রেখে এবং ক্বেবলা কে পিছনে রেখে দোয়া করার বিধানঃ-২য়ঃ ৯৩৯পঃ হযরত আনাস (রাঃ) আবু দাউদ শরীফ-৪৬১পৃঃ ৪নং হাশিয়া মিশকাত শরীফ ১৫৪পঃ ২নং হাশিয়া

২১৬। নবীজীর হাত মোবারকের স্পর্শে উম্মে মাবাদের ছাগলের বাট থেকে দুধের পোয়ারাঃ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) হিযাম ইবনে হিশাম (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৬০পৃঃ ও ৫৪৪পৃঃ সারহু সুন্নাহ, কিতাবুল ওয়াফা, আল ইসতিয়াব।

২১৭। কুরআনুল কারীম ও নবীজীর আহলে বাইয়াতকে আকড়ে ধরলে কখনো পথভ্রষ্ঠ হবেনাঃ- হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৪৮পৃঃ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও ৫৬৮পৃঃ (মুসলিম শরীফ) মিশকাত শরীফ ৫৬৯পৃঃ হযরত যাবের (রাঃ) (তিরমিযি শরীফ)

২১৮। নবীজীর কদমমোবারকের অনকরণে হাশরে মানষেদের কে সমবেত করবেন আল্লাহতায়ালা ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫পৃঃ জুবাইর ইবনে মুতয়িম (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)

২১৯। নবীজী বলেন আমার উম্মতেরা শিরিক করবেনা, তবে দুনিয়া পেয়ে আখেরাতকে ভূলে যাবে, এটা আমি ভয় করি ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৬/৪৭পৃঃ ,(বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২২০। বিবাহ অনষ্টানের মধ্যে দপ বাজানো জায়েজ রয়েছে ঃ হযরত আয়েশা (রা.), মিশকাত শরীফ ১৭২পৃঃ ,বুখারী ও মুসলিম শরীফ) ও হযরত বুরাইদা (রা.), মিশকাত শরীফ ৫৫৮পৃঃ তিরমিযি শরীফ)

২২১। নবীজী কে না মানা বিয়াদবী ও কুফুর আনাস (রাঃ) “মিশকাত শরীফ ৫৩৩পৃঃ ,বুখারী ও মুসলিম শরীফ

২২২। নবীজীর আম্মাজানের মাযার যিয়ারত করতে এসে নিজে কেদেছেন এবং সাহাবীদেরকে কাদিয়েছেন ঃ ‘আবু দাউদ শরীফ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ———————————————————– ।

২২৩। অনেক লোকজন নিয়ে যিকির আযকার করার দলিলঃ মিশকাত শরীফ-৯৮পৃঃ ‘আবু দাউদ শরীফ, হযরত আনাস (রাঃ)।

২২৪। আসমান ও জমিনের ধন ভান্ডার নবীজিকে আল্লাহ দিয়েছেনঃ- মুসলিমশরীফ ২য়-২৫০পৃঃ উকবা (রাঃ) ও মুসলিমশরীফ ২য়-২৪৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাত শরীফ-৫১২পৃঃ বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ১০৭৯পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ৫৫৮ ও বুখারী শরীফ- ৯৭৫ পৃঃ ওকবাহ (রাঃ), বুখারী শরীফ- ২য় খন্ড ১০৪২পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ-২য় খন্ড ৫৭৩পৃঃ ওকবাহ বিন আবু মোয়াআত (রাঃ)।

২২৫। নবীজির হাত মোবারকের উছিলায় কাষ্ঠ জীবিতঃ তিরমিযি শরীফ -২য়-২০৩পৃঃ- (উস্তুনে হাসানা) (মিশকাত শরীফ ৫৩২পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) হযরত আনাস (রাঃ) ১ম ৬৭পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ)-

২২৬। হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত ওমর (রাঃ)- এর সরদার হবেন জান্নাতে ঃ ‘তিরমীযি শরীফ’ ২য়-২০৭পৃঃ- হযরত আলী (রাঃ)-৫৫৬পৃঃ।

২২৭। ইবনে যিয়াদের নাকের ভিতর সাপ অদৃশ্য হয়ে যায়ঃ তিরমিযি শরীফ -২য়-২১৯পৃঃ- হযরত উমাইর (রাঃ)

২২৮। আলস্নাহ তোমাকে ও তোমার মাকে মাপ করেদিয়েছেনঃ ইলমে গাইবঃ তিরমিযি শরীফ ২য়-২১৯পৃঃ- হযরত উবাদাতা ইবনে উনাইর(মিশকাত শরীফ৫৭০প তিরমিযি শরীফ ২য়-২২২পৃঃ- হুযাইফা (রাঃ)-

২২৯। কবরকে সামনে রেখে এবং ক্বেবলা কে পিছনে রেখে দোয়া করার বিধানঃ-২য়ঃ ৯৩৯পঃ হযরত আনাস (রাঃ) আবু দাউদ শরীফ-৪৬১পৃঃ ৪নং হাশিয়া মিশকাত শরীফ ১৫৪ পৃঃ ২নং হাশিয়া।

২৩০। নবীজির উম্মতেরা জান্নাতে সকালের নাস্তা করবে মাছের কলিজা দিয়ে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩০পৃঃ।

২৩১। নবীজিকে কিছু বললে আল্লাহ সহ্য করতে পারেননা (আবূ লাহাবের কাহিনী)ঃ- মিশকাত শরীফ ৫২২পৃঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ)

২৩২। নবীজির চাচা আব্বাস (রা.) কে ওসিলা করলে বৃষ্টি হত ঃ- মিশকাত শরীফ-১৩২ হযরত আনাস (রাঃ) ৩৩৭পৃঃ হযরত উকবাতা ইবনে আমের (রাঃ) ৫১২-৫১৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ৫৪৫পৃঃ হযরত জুছ (রাঃ)।

২৩৩। নবীজি চিটি লিখতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫৪-৩৫৫পৃঃ- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড-৩৭১ পৃ: হযরত বারা(রা.) বাবো ছুল হে ।

২৩৪। নবীজি আবূ হুরায়রাকে যা দিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৫পৃঃ বুখারী শরীফ ২য়১০৯৩: হযরত আবু হুরায়রা (রা.)।

২৩৫। মদীনায় কষ্ঠ করলে নবীজি সুপারিশ করবেনঃ ঃ তিরমিযি শরীফ.), ২য়-২০২পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) তিরমিযি শরীফ ২য়-২৩১পৃঃ- ইবনে ওমর (রাঃ) মিশকাত শরীফ ২৪১পৃঃ।

২৩৬। গরীবরা ধনীদের আগে বেহেস্তে যাবে ঃতিরমিযি শরীফ ঃ-১ম-৬১পৃঃ-হযরত আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ও জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ)২য়-৫৮পৃঃ- হযরত আনাস (রাঃ)- মিশকাত শরীফ ৪৪৬পৃঃ।

২৩৭। আল্লাহতায়ালা ও তাঁর রাসূলকে বাড়ীতে রেখে এসেছিঃ ঃ তিরমিযি শরীফ, ২য়-২০৮ ইবনে ওমর (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৫৫/৫৫৬পৃঃ।

২৩৮। সমসত্দ নবীগন নিষ্পাপ : মিশকাত শরীফ ২৭ পৃঃ আনাস রাঃ । মিশকাত শরীফ ৩২১ পৃঃ মিশকাত শরীফ ১০৮ পৃঃ বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৭পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) : বুখারী শরীফ -১ম খন্ড ৭পৃঃ হযরত আয়েশা (রাঃ) বুখারী শরীফ:–২য় খন্ড ৭১৭পৃঃ

২৩৯। নবীজী মদীনা শরীফ থেকে সব কিছু দেখেন: বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড ১৮পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) বুখারী শরীফ:-, ১ম খন্ড ১৫৯পৃঃ, ১ম খন্ড ১৫২পৃঃ, ১ম খন্ড ৪২পৃঃ, বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৭৭৯পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৯৭৩পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ), , ২য় খন্ড ৭৪২পৃঃ আবু উবাইদা (রাঃ) , ২য় খন্ড ৭১৭পৃঃ আমর ইবনুল আস (রাঃ)।

২৪০। বিনা প্রয়োজনে মাথা মুন্ডানো খারেজীদের আলামত: বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড কিতাবুত তাওহীদ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ), কিতাবুল মাগাজীমিশকাত শরীফ ৪৮পৃঃ হযরত আলী (রাঃ), বুখারী শরীফ:- কিতাবুল আদব হযরত আবু সাইদ (রাঃ) ।

২৪১। হুদায়বিয়ার সন্ধিতে নবীজি নিজহাতে লিখেছেন ঃ-বারা ইবনে আজিব (রা.), মিশকাত শরীফ-৩৫০/৩৫৫পৃ:বুখারী ও মুসলিম শরীফ।।

২৪২। ।নবীজী দুষ্ট জিন কে মসজিদে নববীর খুটির সাথে বেধে রেখে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯০/৯১পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৪৩। হযরত আবু বকর রাঃ ইমামতি করেছেন :- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড কিতাবুস সুলহে ৯৪পৃঃ ও বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৬৫পৃঃ।

২৪৪। হযরত খোজাইমা দুই জন স্বাক্ষীর সমান নবীজিকে বিশ্বাস করার কারনে :- বুখারী শরীফ কিতাবুত তাফসির২য় ৭০৫পৃঃ ৩নং হাশিয়া যায়েদ (রাঃ)।

২৪৫। নবীজি যা ইচ্ছা তা দিতে পারেন :বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭৭পৃঃ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ১০৮৩পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ), বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৭৭পৃঃ, বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৪১পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৫৪৮পৃঃ।

২৪৬। নবীজির কথার অবাধ্য হওয়ায় মাটি কবুল করেনি :- মিশকাত শরীফ ৫৩৫/৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ )।

২৪৭। নবীজির প্রতি হযরত আলী (রাঃ) এর ভালবাসা:- বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৪৫২ পৃঃ বারাহ ইবনে আযেব (রাঃ)।

২৪৮। নবীজী মানুষের মুক্তিদাতা ঃ মিশকাত শরীফ ১৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম)।

২৪৯। অসুস্থতার কারনে ইন্তেকাল করলে শহীদ হিসেবে তার কবরে রিযিক দেওয়া হয় ঃমিশকাত শরীফ ১৩৮ পৃঃ হযরত আব্দুলস্নাহ ইবনে আমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ, বায়হাকী শরীফ)।

২৫০। নবীজী এক সাহাবীর জানাযার নামাজ পড়ার কারনে কবর আলোকিত করে দিলেন আল্লাহ তায়ালা ঃ মেশকাত শরীফ ১৪৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৫১। নবী প্রেমের বাস্তব প্রতিচ্ছবি সিদ্দিকী-ই-আকবর ঃ মিশকাত শরীফ ৫৬০ পৃঃ (রাওয়াহু বাযীন)তাফসীরে কবির২১ম ৪১পৃঃ ।

২৫২। মুমিনগনও তাঁর সন্তানেরা বেহেস্তী ঃ মিশকাত শরীফ ২৩ পৃঃ আলী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ)।

২৫৩। নবীজী যা শুনেন মানুষ তা শুনে না ঃ মিশকাত শরীফ ২৪ পৃঃ যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

২৫৪। নবীজিকে এক মহিলা গালি দেওয়ায় এক সাহাবী তাকে গলা টিপে মেরে ফেলায় নবীজি ঐ সাহাবীর রক্ত মূল্য ৰমা করে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩০৮ পৃঃ উসামা ইবনে শারিক (রাঃ) (আবূ দাউদ শরীফ)।

২৫৫। সে জাতি কখনো সফলতা অর্জন করতে পারবেনা যে জাতি পরিচালনার দায়িত্বে মহিলা ঃ- মিশকাত শরীফ ৩২২ পৃঃ হযরত আবূ বাকরা (রাঃ) (বুখারী শরীফ)।

২৫৬। কোন ব্যক্তি শুধু মাত্র আমল দিয়ে জান্নাতে যেতে পারবেনা ঃ- মিশকাত শরীফ ২০৭ পৃঃ হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৫৭। আলস্নাহর অবাধ্য ব্যতীত কাউকে জাহান্নামের আগুনে শাসত্দি দিবেননা ঃ- মিশকাত শরীফ ২০৮ পৃঃ হযরত আব্দুলস্নাহ ইবনে ওমর (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ)।

২৫৮। নবীজির হাজত সারার জন্য গাছকে ডাকদিলে গাছ চলে আসত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

২৫৯। মুতার যুদ্ধের শহীদদের কথা নবীজি আগেই বলে দিয়েছেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৭৩ও, বুখারী শরীফ ৫২৩ ও বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬৭৮ পৃ:)।

২৬০। কোন কোন সময় বদকার লোকের দ্বারা ইসলামকে শক্তিশালী করেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৪ পৃ: হযরত আবূ হুরায়রা (রা:), (বুখারী শরীফ)।

২৬১। নবীজি বললেন ইয়াহুদীদের কবরে আযাব দেওয়া হয় ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত আবূ আইয়ূব (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৬২। নবীজির দোয়ায় মদীনায় একমাস বৃষ্টি হল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৬৩। নবীজির আইন না মানলে তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬ পৃঃ হযরত সালমা ইবনে আকওয়া (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

২৬৪। নবীজির উসিলায় খেজুরে বরকত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৬/ ৫৩৭ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৪২ (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ৩৯০ পৃ:)।

২৬৫। নবীজি বলে দিলেন মহিলার বাগানে ১০ ওয়াসাক খেজুর হবে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৩৯ পৃঃ হযরত আবূ হুমাইুদস সায়েদী (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৬৬। পাদরী বুহায়রা ২৪ বছর ধরে মুসাফির খানা বানিয়ে নবীজির জন্য অপেৰা করেন অবশেষে পেয়ে যান ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত আবূ মূসা (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।

২৬৭। নবীজির কাছে এসে উট বিচার দিয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত (রাঃ) (শরহে সুন্নাহ্)।

২৬৮। উহুদ যুদ্ধে ৮ বছর পর নবীজি শহীদদের জানাযার নামাজ পড়েছিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৬/৫৪৭ পৃঃ হযরত উবাই ইবনে আমের (রাঃ) (বুখারী, মুসলিম শরীফ)।

২৬৯। নবীজিকে দুনিয়াতে কি্বয়ামত পর্যনত্দ থাকার এখতেয়ার দেওয়া হয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৭/৪৮ পৃঃ হযরত উবাই ইবনে আমের (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৬৩৮ পৃ: ও মুসলিম শরীফ)।

২৭০। খেজুরের খোসা নবীজি সম্পর্কে সাৰ্য দিলে বেদুঈন মুসলান হয়ে যায় ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪১ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিযি শরীফ)।

২৭১। রান্না গোসত্দ নবীজিকে বলল- “আমার সাথে বিষ মিশ্রিত”:- মিশকাত শরীফ ৫৪১/৫৪২ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (আবূ দাউদ ও দারেমী শরীফ) বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৬১০ পৃ:, মিশকাত শরীফ ৫৪২ পৃ: ইবনে আব্বাস রা: মুসনাদে আহমাদ।

২৭২। নবীজি যায়েদ ইবনে আরকামকে বললেন- আমার ওফাতের পর তোমার দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৪৩ পৃঃ হযরত উনাইসা বিনতে যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

২৭৩। নবীজির নামে মিথ্যা বলাই পেট ফাটা অবস্থাই মারা গেল ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৩পৃঃ হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

২৭৪। ইমাম হুসাইন রা: শাহাদাতের আলোচনা জন্মের আগে হয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত উম্মুল ফজল (রাঃ) (বায়হাকী ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

২৭৫। শহীদ হারেছার মাকে নবীজি বলে দিলেন তোমার ছেলে জান্নাতে রয়েছে ঃ- মিশকাত শরীফ ৩৩০/৩৩১ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৯৭২ পৃ:)।

২৭৬। ইমাম হুসাইন শহীদ হওয়ার সময় নবীজি কারবালায় হাজির ছিলেন ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বায়হাকী ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

২৭৭। আমার আহলে বায়ত নূহ নবীর কিসতির মত ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭৩ পৃঃ হযরত আবূ যর গিফারী (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।

২৭৮। আবনে যিয়াদ হুসাইন রা: এর নাক মোবারকে ছড়ি দিয়ে টুকা দিয়েছিল ঃ- মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।

২৭৯। মি’রাজের রাত্রিতে নবীজির আগে আগে হযরত বেলাল রা: মিশকাত শরীফ ১১৭ পৃঃ হযরত বুরায়দা (রাঃ) (তিরমিজি শরীফ)।

২৮০। লাঠিতে ভর দিয়ে খুৎবা দেওয়া সুন্নত ঃ- মিশকাত শরীফ ১২৬ পৃঃ হযরত বারা ইবনে আজেব (রাঃ) (আবূ দাউদ শরীফ)(মিশকাত শরীফ ১২৬ পৃ: হযরত আতা রা: ইমাম শাফেঈ রা:।

২৮১। হাজরে আসওয়াদ মানুষের গুনাহকে কেড়ে মাসুম করে দেয় ঃ- মিশকাত শরীফ ২২৭ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিজি ও মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

২৮২। ঐ সব নারী জাহান্নামী যারা কাপড় পরেও উলঙ্গ থাকে ঃ- মিশকাত শরীফ ৩০৫/৩০৬ পৃঃ হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ), মিশকাত শরীফ-৩০৬ পৃ: হযরত আবূ যর রা:,(তিরমিজি শরীফ)।

২৮৩। দিন-তারিখ ঠিক করে ঃ ‘আবুদাউদশরীফ’ ১ম খন্ডের ১৫৭ পৃষ্ঠায় হযরত আউস ইবনে আউস (রাঃ) হতে, ৩৪৩ পৃষ্ঠায় হযরত সাফ (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে বুখারী শরীফ:-:-১য় খন্ড ১৬৯ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ), ১ম খন্ড ১৬১ পৃঃ বুখারী শরীফ:–১ম খন্ড ২০ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), বুখারী শরীফ:- ২য় খন্ড ৯৭২ পৃঃ আনাস (রাঃ), ২য় খন্ড ৬৮৪ পৃঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ), কিতাবুল যাকাত বুখারী শরীফ:-১৯৭পৃঃ, বুখারী শরীফ:-১ম খন্ড ৩২৯ পৃঃ আবু সাঈদ খুদুরী (রাঃ)।

২৮৪।নবীজী উপর একবার দুরূদ পড়িলে আলত্দাহ তায়ালা দুরূদ পড়া ব্যক্তির ৭০ টি রহমত নাযিল করেনঃ মিশকাত শরীফ ৮৭পৃঃ ঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ),(মুসনাদে আহমদ)

২৮৫।নবীজী দুষ্ট জিন কে মসজিদে নববীর খুটির সাথে বেধে রেখে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯০/৯১পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

২৮৬।কবরের উপরে ফুল ছিটানো জায়েজ : মিশকাত শরীফ ৪২পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)। বুখারী শরীফ:১ম খন্ড ৩৪/৩৫ পৃঃবুখারী শরীফ:১ম খন্ড ১৮২ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) কিতাবুল জানায়িয।

২৮৭।কবরের নিচে শাস্তি হলে নবীজীর খচচর বলতে পারে দেখতে পারে ঃ মিশকাত শরীফ ২৫পৃঃ হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাঃ (মুসলিম শরীফ)।

২৮৮। নবীজী বললেন এক সাহাবী কে ছাগলের রান দিতে , ছাগলের রান নাই বললে ,নবীজী বললেন তুমি যদি দিতে কিয়ামত পর্যন্ত দিতে পারতে,তার পর ও শেষ হত না ঃ মিশকাত শরীফ ৪১পৃঃ হযরত আবু রাফে (রাঃ ) ,(মুসনাদে আহমদ)

২৮৯। নবীজী বললেন রুয়াইফ ইবনে সাবিত দীর্ঘ জীবন লাভ করবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৩পৃঃ হযরত রুয়াইফ ইবনে সাবিত (আবু দাউদ শরীফ )

২৯০।হাজরে আসওয়াদ কে যারা চুমু দিয়েছে তাদের কে সুপারিশ করবে ঃ মিশকাত শরীফ ২২৭পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস( রাঃ )(তিরমিজি , ইননে মাজাহ , দারেমী শরীফ)

২৯১। হযরত জাবের রাঃ দুই ছেলে ইনতেকালের পর আবার জীবিত হল ঃও বকরী জীবিত হল ঃবায়হাকী শরীফ ২য় ২২৪পৃঃ হযরত জাবের রাঃ শাওয়াহেদুন নবুয়ত ঃ১০৮পৃঃ

২৯২।আল্লাহর ওলীগন যা চান আল্লাহ তা কবুল করেনঃ-হারিছাতা ইবনে ওয়াহাব (রা) মিশকাত শরীফ ৪৩৩পৃঃ বুখারী ও মুসলিম শরীফ) হযরত আনাস (রাঃ) মিশকাত শরীফ ৫৭৯পৃঃ তিরমিযি শরীফ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) মিশকাত শরীফ৪৪৬পৃ মুসলিম শরীফ)
২৯৩। আল্লাহ তায়ালা ১৮হাজার মাখলুক সৃষ্টি করেছেনঃ মিশকাত শরীফ৪৭১পৃঃজাবির (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ)।

২৯৪। ওয়ারাকা ইবনে নওফেল জান্নাতী ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯৬পৃঃ আয়েশা (রাঃ) (তিরমিজি , আহমদ শরীফ )
২৯৫। হযরত হারেসা রাঃ এর মাকে নবীজী বলে দিলেন তোমার ছেলে জান্নাতে রয়েছে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৩০/৩৩১পৃঃ আনাস রাঃ , আবু দাউদ শরীফ ৩৫৮ পৃঃ) বুখারী শরীফ:-২য় ৬৭৮ পৃঃ ও ২খন্ড ৫৬৭ পৃঃ।

২৯৬। উট নবীজীর কদমে এসে সিজদা করলঃ মিশকাত শরীফ ২৮৩ পৃঃ আয়েশা (রাঃ)(মিশকাত শরীফ ২৩২ পৃঃ আবু দা্উদ শরীফ) (আহমদ শরীফ )।

২৯৭। যাকে আল্লাহ তায়ালা ৪টি বস্তু দান করেছেন তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যান করা হয়েছেঃ মিশকাত শরীফ ২৮৩ পৃঃ ইবনে আব্বাস রাঃ (বায়হাকী শরীফ।

২৯৮। নবীজী শরীয়তের প্রবর্তকও গরীবের বন্ধু ঃ মিশকাত শরীফ ২৮৫পৃঃআবু সালামাহ (রাঃ) (তিরমিজি , আহমদ শরীফ ইননে মাজাহ ) ঃবুখারী শরীফ:১ম খন্ড ৩৫৪ পৃঃ হযরত আবদুল্লাহ বাবুল হজ্জ্ব (তিরমীযি) মিশকাতশরীফ২২০, মিশকাত শরীফ ২২১, মিশকাত শরীফ ২২৫পৃঃ- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।
২৯৯। ইসলাম কাদের মাধ্যমে অপমানিত হবেঃ মিশকাত শরীফ ৩৭পৃঃ- হযরত হোদাইর রাঃ (দারেমী শরীফ)

৩০০। নবী বিদ্বেষী ব্যক্তি থেকে জ্ঙান অর্জন করা উচিত নয় ঃ মিশকাত শরীফ ৩৭ পৃঃ হযরত মুহাম্মদ ইবনে সিরীন (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

৩০১। নবীজীর অজুর ব্যবহৃত পানি দিয়ে মসজিদ পবিত্র ঃ মিশকাত শরীফ ৬৯ পৃঃ হযরত তালক ইবনে আলী রাঃ নাসাই শরীফ ৮১পৃঃ ।

৩০২। নবীজীর রাওজা পাকে লাল চাদর দেওয়া হয়েছিল ঃ মিশকাত শরীফ১৪৮পৃঃ ইবনে আব্বাস রাঃ (মুসলিম শরীফ) ইননে মাজাহ ১১২পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা ) ।

৩০৩। নবীজীর এক দিনারে প্রচুর বরকত নিহিত ছিল ঃ (বুযুর্গ ব্যক্তিগণের যেকোনো বস্তুতে বরকত থাকে) (মিশকাত শরীফ ২৫৪ পৃঃ হযরত ওরওয়া ইবনে আবুল জাত বারেকী (রাঃ) ((বুখারী শরীফ)।

৩০৪। নবীজী হযরত হুযায়ফা (রাঃ) কে বলে দিলেন তুমি ও তোমার মাকে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাকরে দিয়েছেনঃ (মিশকাত শরীফ ৫৭০ পৃঃ হযরত হুযায়ফা (রাঃ), তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২২২ পৃঃ।

৩০৫। নবীজী নামাজ শেষ করে দোযখে কে শাস্তি পাইতেছে নবীজী বলে দিলেন ঃ (মিশকাত শরীফ ১২৯ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ২য় খন্ড ৯৬১ পৃঃ ও মুসলিম শরীফ) (মিশকাত শরীফ ২৫৫ পৃঃ হযরত জাবের (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) (মিশকাত শরীফ ৫০৫ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী শরীফ)

৩০৬। কিয়ামতের দিন প্রত্যেক ব্যাক্তিকে তার পিতার নামে ডাকা হৰে ঃ (মিশকাত শরীফ ৪০৮ পৃঃ হযরত দারদাহ (রাঃ) আহমদ ও আবু দাউদ শরীফ)।

৩০৭। নবীজীর দুশমনদের ভাষা হবে চিনির চেয়ে ও মিষ্টি তবে অন্তর হবে হিংস্র বাঘের মত ঃ (মিশকাত শরীফ ৪৫৪ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ) ও মিশকাত শরীফ ৪৫৪ পৃঃ, হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ)।

৩০৮। বরকতের জন্য নবীজীর ব্যবহৃত মশকে সাহাবীরা পানি পান করতেন এবং নিজেদের কাছে রেখে দিতেনঃ মিশকাত শরীফ ৩৭১ পৃঃ হযরত আবু কাবশা (রাঃ) (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ শরীফ) (সূরা বাকারা ২৪৭ নং আয়াত ও সূরা ইউসূফ ৯৬ নং আয়াত)।

৩০৯। রুটির চাক্কির পাঠ না সরালে কিয়ামত পর্যন্ত খাইতে পারত সাহাবীরা ঃ মিশকাত শরীফ ৪৫৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ)।

৩১০। নবীজী যমযমের পানি দাড়িয়ে পান করলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৩৭০ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

৩১১। কবরের উপর পানি ছিটাতে হয় ঃ মিশকাত শরীফ ১৪৮ পৃঃ হযরত ইমাম জাফর ইবনে মুহাম্মদ (শরহে সুন্নাহ), মিশকাত শরীফ ১৪৯ পৃঃ হযরত জাবের রাঃ (বায়হাকী শরীফ) ও ইবনে মাজাহ শরীফ ১১২ পৃঃ হযরত আবু রাফি (রাঃ)।

৩১২। নবীজীর জুব্বা মোবারকের উসিলায় সাহাবীদের রোগমুক্তি ঃ মিশকাত শরীফ ৩৭৪ পৃঃ হযরত আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)।

৩১৩। শয়তানের সুরত কি রকম নবীজী বলে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯৮ পৃঃ হযরত আবু উবামাহ বাহেলী (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ), মিশকাত শরীফ ৯৮ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), মিশকাত শরীফ ২২৯ পৃঃ হযরত আব্বাস ইবনে মিরদাস (রাঃ) (ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী শরীফ)

৩১৪। মহিলাদের উচিত নিজ ঘরে নামাজ পড়া ঃ মিশকাত শরীফ ৯৬ পৃঃ হযরত ইবনে ওমর ( রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ), মিশকাত শরীফ ৯৬ পৃঃ হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ)।

৩১৫। নবীজী দুষ্ট জ্বীনকে যদি না ছাড়তেন তাহলে মদিনা শরীফের ছেলেরা জ্বীনকে নিয়ে খেলাধূলা করতে পারত ঃ মিশকাত শরীফ ৯২ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭১০ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)।

৩১৬। ফেরেশতারা উপরে উঠলে নবীজী দেখতে পারতেন ঃ মিশকাত শরীফ ৯১ পৃঃ হযরত রেফা ইবনে রাফে (রাঃ) (তিরমিযী, আবু দাউদ ও নাসায়ী শরীফ)।

৩১৭। নবীজী জানাযার নামাজ পড়ার উসিলায় কবরে সকলকে আল্লাহ তায়ালা মাফকরে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ১৪৫ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) তাফসীরে কবীর ১ম খন্ড ২৮১ পৃঃ)।

৩১৮। নবীজী বলেন; শেষ যমানার মানুষ গান বাজনাকে হালাল মনে করবে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৫৬ পৃঃ হযরত আবু আমের (রাঃ) (বুখারী শরীফ)

৩১৯। কি্বয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর লোক খাছভাবে মানুষকে শাফায়াত করবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৯৫ পৃঃ হযরত উসমান ইবনে আফ্ফান (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ)।

৩২০। নবীজী এক সাহাবীর বুকে ধরে ভয় দূরকরে দিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ১০১ পৃঃ হযরত উসমান আবুল আস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ)

৩২১। নবীজীর ইন্তেকালের পর হুজরা মোবারকে হযরত খিজির (আঃ)- এর আগমন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৫ পৃঃ হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) (বায়হাকী শরীফ ৭ম খন্ড ২৬৮ পৃঃ) বেদায়া ও নেহায়া ৫ম খন্ড ২৭৭ পৃঃ) ও খাসায়েসে কুবরা ২য় খন্ড ২৭৩ পৃঃ) (মাওয়াহিবে লাদুনিয়া ২য় খন্ড ৩৭ পৃঃ ও ২খন্ড ৩৭৮ পৃঃ)।

৩২২। বদও যুদ্ধে হযরত আলী (রাঃ)- এর ভূমিকা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৪৩ পৃঃ হযরত আলী (রাঃ) (তারিখুল খুলাফা ১ম খন্ড ২৩০ পৃঃ) মিশকাত শরীফ ৫৬৩/৬৪ পৃঃ আবু দাউদ শরীফ)।

৩২৩। নবীজীর এক সাহাবী শুনলেন কবরের মধ্যে এক ব্যক্তি সূরা মুলক পড়তেছে ঃ মিশকাত শরীফ ১৮৭ পৃঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ)।

৩২৪। নবীজীর বংশধরকে ভালনাবাসলে ক্বলবে ঈমান প্রৰশ করবেনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭০ পৃঃ হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ ১২ পৃঃ) (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২২২ পৃঃ)।

৩২৫। মেঘমালা নবীজীকে সায়া প্রদান করত ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪০ পৃঃ হযরত আবু মূসা (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২০২ পৃঃ)।

৩২৬। আলেমকে উঠিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলমকে আল্লাহ তায়ালা উঠিয়ে নিবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৪৬২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (বুখারী ও মুসলিম শরীফ) (আবু দাউদ শরীফ ৫১৫ পৃঃ)।

৩২৭। গাছে নবীজীকে সালাম দেওয়ার ইচ্ছা অনেকদিন পরে পূর্ণ হয় ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪১ ও মিশকাত শরীফ ৫৪৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমিযি শরীফ) (হুজ্জাল্লাহি আলাল আলামীন ৪৪১ পৃঃ)।

৩২৮। রিজিক তার মালিককে খুজে থাকে ঃ মিশকাত শরীফ ৪৫৪ পৃঃ হযরত আবু দারদাহ (রাঃ) (আবু নুয়াঈম কর্তৃক প্রণীত হিলইয়া)।

৩২৯। কোরাআন শরীফের বাতিনী অর্থ হাসিল হয় আধ্যাত্মিক সবিনা রিয়াজতের মাধ্যমে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৫ পৃঃ ১০ নং- হাশিয়া। সৈয়দ জামালুদ্দীন (রাঃ)।

৩৩০। হযরত ওমর (রাঃ)- এর জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাত তৈরীকরে রেখেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৭ পৃঃ, তারিখুল খোলাফা ৮৩ পৃঃ, (বুখারী শরীফ ১ম খন্ড ১৮৬ পৃ)।

৩৩১। আল্লাহর ভয়ে রোদন কারী দোযখে যাবেনা ঃ মিশকাত শরীফ ৩৩২ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমিযী ও নাসায়ী শরীফ), মিশকাত শরীফ ৩৩২ পৃঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ)।

৩৩২। আল্লাহর রাস্তায় জেহাদকারী তাঁর নিকটাত্মীয় ৭০ জনকে সুপারিশ করবে এবং তাকে ৭২ জন হুর দেওয়া হবে ঃ মিশকাত শরীফ ৩৩২ পৃঃ হযরত মেক্বদাম ইবনে মাদিকারাব (রাঃ) (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ শরীফ)।

৩৩৩। যারা নবীজীর দান্দান মোবারক শহীদ করেছে তারা কখনো সফলকাম হতে পারবেনা ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৩ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (মুসলিম শরীফ) (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২২২ পৃঃ)।

৩৩৪। ইবনে যিয়াদ ইমাম হোসাইন (রাঃ)- এর নাক মোবারকে ছুড়ি দিয়ে টুকা বেয়াদবির পরিচয় দিয়েছিল ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) (বুখারী ও তিরমিযী শরীফ), (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ২২২ পৃঃ হযরত উমারা ইবনে উমাইর (রাঃ)।

৩৩৫। ইমাম হোসাইন (রাঃ)- এর শাহাদতে কারবালায় নবীজী কাঁদলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৭২ পৃঃ হযরত উম্মুল ফজল বিনতে হারেস (রাঃ) (বায়হাকী ও তিরমিযী শরীফ ২য় খ্ন্ড ২২২ পৃঃ)।

৩৩৬। হাশরের মাঠে নবীজী আরশে এলাহীর ডান পার্শে থাকবেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৪ পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ)।

৩৩৭। নবীজী সাবিত ইবনে কায়েস (রাঃ)- কে বললেন তুমি জান্নাতিদের অন্তর্ভূক্ত ঃ (বুখারী শরীফ ২য় খন্ড ৭১৮ পৃঃ)।

৩৩৮\\ নবীজী বলেন আমি আসমানের মধ্যে কড়মড় শব্দ হয় তা শুনতে পাই : মিশকাত শরীফ ৫৪৭পৃঃ হযরত আবু যর (রাঃ) (আহমদ ,তিরমিযী শরীফ ইবনে মাজাহ শরীফ )।

৩৩৯।মুমিনদের জন্য কবরে দৃষ্টি প্রান্তসীমা পর্যন্ত প্রশস্হ করে দেওয়া হয় : মিশকাত শরীফ ৪৫৭-৫৮পৃঃ হযরত আবু সাইদ খুদুরী (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ ২য় খন্ড ৬৯ পৃ ঃ)।

৩৪০।ইয়াজিদ মদীনা শরীফের হুরমত নষ্ট কওে ছিল ঃ মিশকাত শরীফ ৪৬৫পৃঃ হযরত ইবনে মুসাইয়্যেব (রা।ঃ) (বুখারী শরীফ )।
মিশকাত শরীফ ্#২৫৩৯;্#২৫৩৮;্#২৫৩৯;পৃঃ ঃ হযরত সাইদ ইবনে আব্দুল আজিজ (রা:)(দারেমী শরীফ ) ।

৩৪১। নবীজী আম্মার কে বললেন খন্দকের যুদ্ধের সময় একদল বিদ্রোহ দল তোমাকে হত্যা করবে ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩১পৃঃ (মুসলিম শরীফ) ।

৩৪২। নবীজীর ফুক মোবারকে সালমা ইবনে আকওয়া ভাল হয়ে ছিলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫৩৩পৃঃ হযরত ইয়াজিদ ইবনে আবু ওবায়েদ (রা ঃ) (বুখারী শরীফ )।

৩৪৩। নবীজীর চুল মোবারকের উসিলায় মানুষের অসুখ ভাল হত ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৩৯০-৯১পৃঃ হযরত ওসমান ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) ) (বুখারী শরীফ ১ম ২৯পৃঃ )।

৩৪৪।মদীনা শরীফে কোন অসুখ হলে নবীজীর কাছে আসলে ভাল হয়ে যেত ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৯পৃঃ হযরত আনাস (রাঃ) ঃ (মুসলিম শরীফ) ।

৩৪৫। নবীজীর দরবারে কোন চাইলে নবীজী ফিরিয়ে দিতেন নাঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৯পৃঃ হযরত জাবির (রাঃ) (বুখারী শরীফ ওমুসলিম শরীফ) ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৯পৃঃ হযরত আনাস (রা ঃ) (মুসলিম শরীফ) ও মিশকাত শরীফ ৫১৯পৃ জুবাইর ইবনে মুতইম (রাঃ) (বুখারী শরীফ )।।

৩৪৬ । নবীজী কে ফেরেশতারা ১হাজার জনের সাথে ওজন পর ও নবীজী ভারী হয়ে গেলেন ঃ মিশকাত শরীফ ৫১৫পৃঃ হযরত আবু যর গেফারী (লাঃ) (দারেমী শরীফ ) ।

৩৪৭। ঢোল বাজানো নিষেধ ঃ ৃ মিশকাত শরীফ ৩৮৬ পৃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) (আবু দাউদ শরীফ ) ।

৩৪৮। আমি আল্লাহ ওতাঁর রাসুলের কাছে তাওবা করছি ঃ মিশকাত শরীফ ৩৮৫পৃ হযরত আয়েশা (রাঃ) ) (বুখারী শরীফ ওমুসলিম) ।

৩৪৯। রোকনে ইয়ামানীর সাথে ৭০ জন ফেরেশতা থাকে ঃএবং আমিন বলেন ঃ মিশকাত শরীফ ২২৮পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (ইবনে মাজাহ শরীফ) ।

৩৫০।কোন মজলিসে নবীজীর উপর দুরুদ না পড়লে খতির কারণ হয়ঃ মিশকাত শরীফ ১৯৮পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (তিরমিযী শরীফ )।

৩৫১।আবু জেহেল যদি নবীজী কে আঘাত করত তাহলে ফেরেশতারা তাকে টুকরা টুকরা করে ফেলত ঃ মিশকাত শরীফ ৫২৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) ।

৩৫২। আসমান ওজমিন সৃষ্টির পর থেকে কাবা শরীফ আল্লাহ তায়ালা সম্মানিত করেছেন ঃ মিশকাত শরীফ ২৩৭পৃঃ হযরত ইবনে আবৰাস (রাঃ) ) (বুখারী শরীফ ওমুসলিম) ।

৩৫৩। নবজিী বলেন ইমানের কা্উকে শান্তি অপেক্ষা উ্ওম কিছু দান করা হয়নি ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ২১৮পৃঃ হযরত আবু বাকর (রাঃ) (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ শরীফ ) ।

৩৫৪।নবীজী উম্মতের পবিত্রকারী ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৩১০পৃঃ হযরত বুরাইদা (রাঃ) (মুসলিম শরীফ ) কোর আন শরীফ১১ পারা ৯ নং সুরা তাওবা ১০৩নংআয়াত ।৪ পারা ৩ নং সুরা আল ইমরান ১৬৪নংআয়াত ।
৩৫৫।নবীজী বলে দিলেন মুয়াজ বিন জাবাল কে এ বছর তোমার সাথে দেখা হবেনা ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৫-৪৬পৃঃ হযরত আবুল জাওয়া (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ )

৩৫৬।ইসলাম ছাড়া অন্যান্য ধর্ম বাতিল ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৪৪৫পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) (মুসনাদে আহমদ )।

৩৫৭। নবীজীর রাওজার চাদঁ চিদ্র করে দিলে অঝর ধারায় বৃষ্ঠি হয় ঃ ঃ মিশকাত শরীফ ৫৪৫পৃঃ হযরত আবুল জাওয়া (রাঃ) (দারেমী শরীফ ) ।

৩৫৮।নবীজূী চেহারা মোবারক দেখে সুমামা ইবনে উসাল মুসলমান হলঃ মিশকাত শরীফ ৩৪৪পৃঃ হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) নাসায়ী শরীফ ১ম খন্ড ১০৯পৃঃ বায়হাকী শরনীফ ৬ষষ্ট ৩১৯পৃঃ ।মুসলিম শরীফ কিতাবুল জিহাদ ওয়াস সিয়ার

Advertisements

About sunniaaqida

sunniaaqida

28 responses »

  1. mdakazad786 বলেছেন:

    Alhamdulillah. Very praiseworhty work. But do a bit more. Provide the Hadeethes and Quranic Verses as per your reference for the general readers. It will be a great work.

  2. আল্লাহ্‌র বান্দা বলেছেন:

    আমি সবগুলো সহীহ হাদিস গ্রন্থের নাম জানতে চাই। দলিল সহ।

  3. ব্লগ সাইটগুলোতে সুন্নী আক্বীদা ভিত্তিক কোন লেথা এই প্রথম দেখতে পেলাম । খুব ভালো লাগলো এই ভেবে যে সুন্নিরাও একদিন এই ব্লগ সাইট গুলোর মাধ্যমে বার্চুয়াল জগতে বাতিলদের অস্তিত্বকে বিনাশ করে দিয়ে ইসলামের সঠিক পথ ও মত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিজয় নিশান উড়াবে ।

  4. Abu Mohammad Ashraf Siddiqui বলেছেন:

    thanks a lot for these types of work which is helpfull for general sunni muslim give reference for proving ahle sunnat wal jamat.

  5. Hossain Mahmood Miskat বলেছেন:

    ai blog dekhe khubi valo laglo. ai rokkom uddog amader sunniot ke aro mojbut kore tulbe asha kori. batil der rukhar 1 matro poth.

  6. kilav বলেছেন:

    hehehee miskatsorif k liklora bie

  7. hossain বলেছেন:

    masha allah,ai side teta onak besoi raksan,thanks?islamic onak kiso janja parlom,allah apnaka sunniotar kaj korar jonno hayata borkot dan korok,amen

  8. Paisa Nai বলেছেন:
    নামাযে হাত কোথায় রাখা সুন্নাত, এ ব্যপারে ইমামদের মাঝে মতভেদ আছে। ইমাম শাফেয়ির মতে নাভীর উপরে বুকের নিচে হাত রাখা সুন্নাত এবং এটাই তার বিশুদ্বতম মত। ইমাম মালীকের মতে হাত না বেধে ছেড়ে দেয়া সুন্নাত। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের মতে নাভীর উপরে বা নিচে যে কোন এক জায়গায় রাখলে সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। ইমাম আবু হানীফা, ইমাম আবু ইউসূফ, ইয়াম মুহাম্মদ,সুফয়ান সাওরী, ইসহাক ইবনে রাহবিয়াহ এবং আবু ইসহাক মযুরী (শাফেয়ী) এবং অসংখ্যা ফোকায়ে কেরামের মতে নাভীর নিচে হাত বাধা সুন্নাত। (ইলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯১পৃ, মাআরিফুসসুনান ২য় খন্ড ৪৩৬ পৃ) আমাদের দেশে আহলে হাদিস নামধারি কিছু লোক এ ব্যাপারে অতিরঞ্জিত শুরু করেছে। তারা বলে বুকের উপর হাত বাধা সুন্নত এবং নাভীর নিচে হাত বাধার সবগুলো হাদীস দুর্বল এবং এ ব্যাপারে কোন ছহীহ হাদিস নেই। (ভূমিকা, সালাতে নারী পুরুষের বুকে হাত বাধা)। অথচ নাভীর নিচে হাত বাধা ছহীহ হাদীছ এবং রসূল (সাঃ) এর পবিত্র আমল দ্বারা প্রমাণিত এবং বুকের উপর হাত বাধার দলীল এর চেয়ে নাভীর নিচে হাত বাধার দল অনেক বেশী শক্তিশালী। বিখ্যাত মুহাদ্দিস আবু তৈয়ব মাদানি তিরমিযি শরীফের ব্যাখা গ্রন্থে বলেন চার ইমামের কোন ইমাম বুকের উপর হাত বাধতে বলেননি। বুকের উপর হাত বাধার হাদীস যদি এতই শক্তিশালী হত, তাহলে কোন না কোন ইমাম বুকের উপর হাত বাধা সুন্নাত বলত। (ফাইযুল বারী শরহে বুখারী ১ম খন্ড ৬১৪পৃ,তানজিমুল আসতাত শরহে মিশকাত ৩০১পৃ, মারেফুস সুনান ২য় খন্ড ৪৩৬, ) ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল বুকের উপর হাত রাখাকে মাকরুহ মনে করেন (মাসায়েলে আবু দাউদ লিল ইমাম আহমদ (র) ৪৭-৪৮পৃ) নিম্নে হাদিসের বিশুদ্ব এবং গ্রহণযোগ্য কিতাব সমুহ হতে নাভীর নিচে হাত বাধার হাদিস সমুহ উল্লেখ করা হল। ১নং দলীলঃ عن ابي حازم عن سهل بن سعد (رض) قال كان ناس يومرون ان يضع الرجل اليد اليمني علي ذراعه اليسري في الصلاة قال ابو حازم لا أعلمه ألا ينمي ذلك الي النبي صلي الله عليه وسلم “সাহাবী সাহাল বিন সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন মানূষদের কে নামাযে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখতে রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবু হাজিম বলেন সাহাল এই হাদিছ টি রসূল(স) এর থেকে বর্ণনা করতেন। (বুখারী ১ম খন্ড,১০২ পৃ) উক্ত হাদিছে ডান হাত কে বাম যিরার উপর রাখতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু হাত কোথায় রাখবে, নাভির উপরে না নাভীর নিচে, সে সম্পর্কে। উক্ত হাদিসে কিছু বলা হয়নি। এখন আমাদের বুঝা দরকার যে আরবী তে “যিরা” শব্দের অর্থ কি? কনুই থেকে মধ্যমা আঙুল পর্যন্ত অংশ কে আরবি তে যিরা বলা হয়।(মিছবাহুল লুগাত,মুজামুল ওয়াসিত,আল মুনযিদ)। সে হিসাবে উক্ত হাদিসটি কোনভাবেই হানাফি মাযহাবের বিরোধী নয়, কারণ আমরা নাভীর নিচে ডান হাত কে বাম হাতের কব্জির উপর রাখি এবং কবজি নিংসন্দেহে “যিরা” এর অন্তর্ভূক্ত। সুতরাং কোন ভাবেই উক্ত হাদিস আমাদের বিরোধী নয় এবং আমরা উক্ত হাদীস মতি আমল করে থাকি। তবে যেহেতু উক্ত হাদিসে স্পষ্ট করে হাত কোথায় রাখা উচিত তা বলা হয়নি, সে জন্য আমাদের কে এ ব্যপারে সুস্পষ্ট হাদিস এবং সাহাবায়ে কেরাম এর আমল দেখতে হবে। উল্লেখ্য যে কিছু লোক উক্ত হাদিস দ্বারা নামাজে বুকের উপর হাত রাখাকে সুন্নাত প্রমাণ করতে চায়, অথচ উক্ত হাদিসে বুকের উপর হাত রাখা বিষয়ক কোন শব্দ নেই। সুতরাং উক্ত হাদিস দ্বারা বুকের উপর হাত রাখা কোনভাবেই প্রমাণিত হয়না। ২ নং দলীলঃ عن واأل بن حجر في حديث طويل : ثم وضع يده اليمني علي ظهر كفه اليسري والرسغ والساعد “ওয়াইল ইবনে হাজর থেকে বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসে শেষে তিনি বলেন, অতঃপর রসুল (স) ডান হাত কে বাম হাতের কবজি এবং বাহুর উপর রেখেছেন। ইমাম আবু দাউদ হাদিসটি উল্লেখ করে নিরবতা পালন করেছেন”। (আবু দাউদ ১ম খন্ড ১০৫পৃ, ছহীহ ইবনে খুযাইমা হাদিস নং ৪৮০ ৮৮নং অধ্যায় ১ম খন্ড ২৪৩পৃ, মাআরেদে জামান হাদিস নং ৪৪৭ অধ্যয় নং ৬৩ ১ম খন্ড ১২৪পৃ) ৩নং দলীলঃ عن واأل بن حجر في حديث طويل : ثم وضع يده اليمني علي يده اليسري في الصلاة قريبا من الرسغ অনুবাদঃ ওয়াইল ইবনে হাজর থেকে বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসে শেষে তিনি বলেন অতঃপর রসুল (স) নামাযে ডান হাত কে বাম হাতের কবজির কাছে রেখেছেন।(তালখিসুল হাবির ১ম খন্ড ২২৪ পৃ হাদিস নং ৩৩২, এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯০পৃ) ৪ নং দলীলঃ عن قبيصة بن هلب عن ابيه قال كان رسول الله صلي الله عليه وسلم يومنا فياخذ شماله بيمينه رواه الترمزي وقال حسن والعمل علي هذا عند أهل العلم من اصحاب النبي صلي الله عليه وسلم والتابعين ومن بعدهم يرون ان يضع الرجل يمينه علي شماله في الصلاة وراي بعضهم ان يضعهما فوق السرة وراي بـعضهم ان يضعهما تحت السرة وكل ذلك واسع عندهم অনুবাদঃ কুসাইবা ইবনে হালাব (র) থেকে বর্ণিত, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে রসুল (স) আমাদের নামাযের ইমামতি করতেন এবং ডান হাত দ্বারা বাম হাত কে আকড়ে ধরতেন। ইমাম তিরমিযি বলেন যে এই হাদিসটি হাসান এর পর্যায়ে। সাহাবায়ে কেরাম ইহার উপর আমল করতেন এবং ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখা কে সুন্নাত মনে করতেন। তবে কেহ নাভীর উপর রাখা কে সুন্নাত মনে করেন এবং কেহ নাভীর নিচে রাখা কে সুন্নাত মনে করেন। তবে উভয় পদ্বতির উপর আমল করা যায়েয হবে। (তিরমিযি শরীফ ১ম খন্ড ৩৪পৃ) ৫নং দলীলঃ حدثنا يزيد بن هارون قال أنا الحجاج بن حسان قال سمعت أبامجلز أو سألته قلت كيف يضع؟ قال يضع باطن كف يمينه علي ظاهر كف شماله ويجعلهما اسفل عن السرة হাজ্জাজ ইবনে হাসসান বর্ণনা করেন যে আমি আবু মুজলিজ কে জিজ্ঞেস করলাম যে রসুল (স) নাযাজে হাত কোথায় রাখতেন? তিনি উত্তর দিলেন যে রসুল (স) নাভীর নিচে ডান হাতের কবজি কে বাম হাতের কব্জির উপর রাখতেন। আল্লামা ইবনে আবি শায়বা হাদিস টি কে ছহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন।( মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ১ম খন্ড ৩৯০-৩৯১পৃ, আল যাওহারুন নকী ২য় খন্ড ৩১পৃ) ৬ নং দলীলঃ قال العلامة ابن التركماني ومذهب ابي مجلز الوضع اسفل السرة حكاه عنه ابو عَمر في التمهيد وجاء ذلك عنه بسند جيد আল্লামা ইবনে তুরকুমানি বলেন আবু মুযলিজ সাহাবীর আমল ছিল যে তিনি নাভীর নিচে হাত রাখতেন। আবু আমর “তামহিদ” নামক কিতাবে তা বর্ণনা করেন এবং উক্ত হাদিস টি তার থেকে বিশুদ্ব সনদে বর্ণিত হয়েছে। (বাযলুল মাযহুদ শরহে আবু দাউদ ৪র্থ খন্ড ৪৭৭ পৃ, এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯২পৃ) ৭নং দলীলঃ حدثنا وكيع عن ربيع عن ابي معشر عن ابراهيم قال يضع يمينه علي شماله تحت السرة رواه ابن ابي شيبة واسناده حسن “প্রসিদ্ব তাবেয়ি ইব্রাহিম নাখয়ী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে রসুল (স) নাভীর নিচে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখতেন। এ হাদিসের সনদটি হাসান। (আসারুস সুনান ১ম খন্ড ৭১পৃ, আসারে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান শাইবানি ২৫ পৃ)” ৮নং দলীলঃ عن ابي حجيفة ان عليا (رض) قال السنة وضع الكف علي الكف في الصلاة تحت السرة “আবূ যূহাইফা (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আলী (র) বলেছেন যে সুন্নাত হল নামাযে নাভীর নিচে এক হাত কে আরেক হাতের উপর রাখা। (মুসনাদে আহমদ ১ম খন্ড ১১০পৃ, বায়হাকি শরীফ ২য় খন্ড ৩১পৃ, মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ১ম খন্ড ৩৯১ পৃ ) উক্ত হাদিস টি আবু দাউদ শরীফে ও বর্ণিত হয়েছে তবে সেটি “ইবনুল আরাবী” এর পান্ডুলিপিতে আছে, “লুলয়ী” এর পান্ডুলিপিতে নয়। (এলাউস সুনান ২য় খন্ড১৯৩পৃ, তাকরিরে তিরমিযী ২য় খন্ড ২৪পৃ) উল্লেখ্য যে উসূলে হাদিস অনুযায়ী যখন কোন সাহাবী রসুল (স) এর কোন আমল কে “সুন্নাত” বলে আখ্যায়িত করে তখন হাদিসটি মারফু হাদিস এর হুকুমে হয়ে যায়। সে হিসাবে উক্ত হাদিসটি মারফু হাদিস। এখানে একটি প্রশ আছে। তা হল ইমাম আবু দাউদ উক্ত হাদিস বর্ণনা শেষে বলেন, আমি ইমাম আহমদ ঈবণে হাম্বল থেকে শুনেছি যে তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইসহাক কূফি কে জয়ীফ বলেছেন। উক্ত প্রশ্নের জবাবে বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা আজলী বলেন আব্দুর রহমান ইবনে ইসহাক কূফি রাবী হিসাবে কিছুটা দুর্বল হলেও তার তার হাদিস গ্রহণ করা যাবে। আল্লামা জালালুদ্দিন সূয়ুতি বলেন মুসনাদে আহমদের সমস্ত হাদিস গ্রহণযোগ্য, তাছাড়া সেখানে কিছু হাদিসের মধ্যে সামাণ্যতম দূর্বলতা থাকলেও সে গুলো “হাসান” এর পর্যায়ে। (কানযুল উম্মাল ১ম খন্ড ৯পৃ) ইবনুল হাজম এবং আল্লামা তাকী উস্মানি বলেন হজরত আলীর উক্ত হাদিসে কিছুটা দুর্বলতা থাকলেও যেহেতু বিভিন্ন সাহাবায়ে কেরাম যেমন হজরত আবু মুযলিজ,হযরত আনাস এবং হজরত আবু হুরায়রা সহ আরো অনেকে তাবেয়ির আমলের দ্বারা নাভীর নিচে হাত বাধা সাব্যাস্ত এবং প্রমানিত, সেহেতু উক্ত হাদিস টি গ্রহণযোগ্য এবং বিশুদ্ব।( মহল্লি ১৩পৃ ৪র্থ খন্ড, তাকরিরে তিরমিযি ২য় খন্ড ২৪পৃ, এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯৩পৃ) ৯ নং দলীলঃ عن أنس رضي الله عنه قال ثلاث من اخلاق النبوة تعجيل الافطار وتاخير السحور ووضع اليد اليمني علي اليسري في الصلاة تحت السرة “হজরত আনাস (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে তিনটি জিনিষ নবীদের সুন্নাত। প্রথম হল ইফতারের সময় হলে বিলম্ব না করা, দ্বিতীয় হল ভোর রাত্রে শেষ সময়ে সেহরি খাওয়া এবং নামাযে নাভীর নিচে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখা” (আল যাওহারুন নকী ২য় খন্ড ৩১ও ৩২ পৃ) ১০ নং দলীলঃ عن ابي واءل (رض) قال قال ابو هريرة (رض) اخذ الاكف علي الاكف في الصلاة تحت السرة “আবু ওয়াইল (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে আবু হুরায়রা (র) বলেছেন যে নামাযে নাভীর নচে কব্জির উপর হাত রাখা সুন্নাত। (আবু দাউদ ১ম খন্ড ২৭৫পৃ) আল্লামা শাওকানী বলেন নামাযে হাত বাধা সম্পর্কে আবু ওয়াইল এর উক্ত হাদিসের চেয়ে আর কোন সহীহ হাদিস নেই। (এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯৫পৃ) ১১ নং দলীলঃ عن وائل بن حجر عن ابيه رضي الله عنه قال : رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يضع يمينه على شماله في الصلاة تحت السرة ওয়াইল বিন হাজর (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে আমি রসুল (স) কে দেখেছি যে তিনি নামাযে নাভীর নিচে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রেখেছেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ১ম খন্ড ৩৯পৃ) হাফেযুল হাদিস আল্লামা কাসেম ইবনে কাতলুবুগা উপরোক্ত হাদিস সম্বন্ধে বলেন উক্ত হাদিসটি বুকের উপর হাত রাখার হাদিসের চেয়ে অধিক শক্তিশালী এবং ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা নিমী তালিকুল হাসান কিতাবে বলেন যে উক্ত হাদিসটি যদিওবা মতন এর দিক দিয়ে কিছুটা দুর্বল, তবুও সেটি বুকের উপর হাত রাখার হাদিসের চেয়ে অধিক শক্তিশালী এবং এর সনদ মযবুত। আল্লামা আবু তৈয়ব মাদানি তিরমিযি শরীফের ব্যাখ্যায় বলেন উক্ত হাদিসটি সনদের দিক দিয়ে অধিক শক্তিশালী। শেখ আবেদ সিন্দি তাওয়ালিয়ুল আনওয়ার কিতাবে বলেন উক্ত হাদিসের রাবীগণ নর্ভরযোগ্য। (ফাতহুল মুলহিম শরহে মুসলিম ৩য় খন্ড ৩০৮ পৃ, তানযিমুল আস্তাত শরহে মিশকাত ১ম খন্ড ৩০২) قال محمد : أخبرنا الربيع بن صبيح، عن أبي معشر، عن إبراهيم : أنه كان يضع يده اليمنى على يده اليسرى تحت السرة. قال محمد : وبه نأخذ وهو قول أبي حنيفة رحمه الله. (كتاب الصلاة، باب الصلاة قاعدا والتعمد على شيء أو يصلي إلى ستر “ইব্রাহিম নাকয়ী থেকে বর্ণিত আছে তিনি নাভীর নিচে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখতেন। (কিতাবুল আসার হাদিস নং ১২১) ইমাম ইবনে কুদামা হাম্বলী (রাহ) (৬২০ হি.) বলেন, নামাযে কোথায় হাত বাঁধা হবে এ বিষয়ে বিভিন্ন বর্ণনা আছে। (ইমাম) আহমদ (রাহ) থেকে বর্ণিত, দুই হাত নাভীর নিচে রাখবে। এটি (হযরত) আলী রা., আবু হুরায়রা রা., আবু মিজলায রাহ., ইবরাহীম নাখায়ী রাহ., (সুফিয়ান) ছাওরী রাহ., ইসহাক (ইবনে রাহুয়াহ) রাহ. থেকে বর্ণিত। (আলমুগনী ২য় খন্ড ১৪৩পৃ) শায়খ আবুল হুসাইন ইয়াহইয়া ইবনে আবুল খায়ের রাহ. (মৃত্যু ৫৫৮ হি.) বলেন, (ইমাম) আবু ইসহাক (আলমারওয়াযী) রাহ. বলেছেন, ‘এক হাত অন্য হাতের উপর নাভীর নিচে রাখবে।(আলবায়ান ফী মাযাহিবিল ইমামিশ শাফেয়ী ২/১৭৫) উল্লেখ্য, ইমাম আবু ইসহাক আলমারওয়াযী রাহ. শাফেয়ী মাযহাবের একজন প্রসিদ্ধ মনীষী। ইমাম শাফেয়ী রাহ. নাভীর উপর (বুকের নিচে) হাত বাঁধার নিয়ম গ্রহণ করলেও আবু ইসহাক মারওয়াযী নাভীর নিচে হাত বাঁধার নিয়মকেই অগ্রগণ্য মনে করেছেন। ইমাম নববী রাহ. (৬৭৬ হি.) বলেন, (ইমাম) আবু হানীফা, (সুফিয়ান) ছাওরী ও ইসহাক (ইবনে রাহুয়াহ) বলেন, ‘দুই হাত নাভীর নিচে রাখবে। আমাদের (শাফেয়ী মাযহাবের) মনীষীদের মধ্যে আবু ইসহাক আলমারওয়াযী রাহ.ও তা গ্রহণ করেছেন। আর ইবনুল মুনযির তা বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা, (ইবরাহীম) নাখায়ী ও আবু মিজলায রাহ. থেকে। সুতরাং উপরোক্ত হাদিস সমূহের দ্বারা এ কথা স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে নাভীর নিচে হাত রাখা রসুল (স) থেকে প্রমাণিত এবং সাহাবা এবং তাবেইন দের যুগে এটার উপর ব্যাপকভাবে আমল হয়েছে এবং খায়রুল করুনের বিশিষ্ট ইমামগণ এটাকে প্রাধাণ্য দিয়েছেন। বুকের উপর হাত রাখার হাদিস সমুহ عن واءل بـن حجر رضي الله عنه قال صليت مع النبي صلي الله عليه وسلم فوضع يده اليمني علي يده اليسري علي صدره “ওয়াইল ইবনে হাজর (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আমি রসুল (স) এর সাথে নামায পরেছি। তিনি বুকের উপর ডান হাতের উপর বাম হাত কে রেখেছেন”। (ছহীহ ইবনে খুযাইমা ১ম খণ্ড ২৪৩পৃ) উক্ত হাদিস সমবন্ধে মুহাদ্দিসিনে কেরাম কালাম করেছেন এবং উক্ত হাদিস্টি কে সনদ হিসাবে খুবই দুর্বল হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। নিচে আমি সে সম্পর্কে আলোচনা করছি। (বুকের উপর) শব্দটি বাস্তবে হাদিসে নেই।علي صدرهবলেন আল্লামা নিমী কারণ উক্ত হাদিসটি মোট সাত টি সুত্রে বর্ণিত হয়েছে অর্থাৎ বিভিন্নজন হাদিসটিকে বিভিন্ন সুত্রে বর্ণনা করেছেন। ১ ইমাম আহমদ তার মুসনাদে আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়ালিদের সুত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। ২ ইমাম নাসায়ী “জায়েদা” এর সুত্রে বর্ণনা করেছেন। ৩ ইমাম আবু দাউদ বশর ইবনে মুফাদ্দাল এর সুত্রে বর্ণনা করেছেন। ৪ ইবনে মাজা তে আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস এবং বশর ইবনে মুফাদ্দাল এর সুত্রে বর্ণনা এসেছে। ৫ আহমদ আব্দুল ওয়াহিদ,জুহাইর এবং এবং শুবা এর সুত্রে বর্ণনা করেছেন। ৬ “মুসনাদে আবু দাউদ তায়ালসি” তে সালাম ইবনে সালিম এর সুত্রে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। ৭ ছহীহ ইবনে হাব্বানে শু’বা এর সুত্রে হাদিস টি বর্ণিত হয়েছে। উপরের সাতটি সুত্রের কোনটি তে علي صدره বা বুকের উপর হাত রাখা শব্দটি নেই। একমাত্র মোমিল ইবনে ইস্মাইল এর সুত্রে বর্ণনাকৃত হাদিসে “বুকের উপর হাত রাখা” শব্দটি আছে। তাছাড়া উপরোক্ত রাবীগণ মুমিলের চেয়ে অধেক গ্রহণযোগ্য। সুতরাং এতগুলো রাবির বীপরিতে মুমিলের মত একজন দুর্বল রাবির বর্ণনা গ্রহণযোগ্য হবেনা। (ফাতহুল মুলহিম ৩য় খন্ড ৩০৪পৃ, মারেফুস সুনান ২য় খন্ড ৪৩৮পৃ,তানযিমুল আস্তাত ১ম খন্ড ৩০২পৃ, তাকরিরে তিযমিযি ২য় খণ্ড ২২পৃ) বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা ইবনুল কাইয়্যুম বলেন একমাত্র মুমিল ইবনে ইস্মাইল ব্যতিত অন্য কেহ বুকের উপর হাত রাখা শব্দটি বর্ণনা করেনি। একমাত্র তিনিই উক্ত শব্দটি বৃদ্বি করেছেন। সুতরাং সমস্ত রাবীর বিপরিতে মোমিলের মত একজন দুর্বল রাবীর বর্ণনা গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা। (এলামুল মুয়াক্কিয়িন ২য় খন্ড ৩১২পৃ,তালিকুল হাসান ১ম খন্ড ৬৫পৃ) তাছাড়া রাবী যদি বিশ্বস্ত ও হন তারপরেও তিনি যদি অণ্যান্য গ্রহণযোগ্য রাবী অথবা তার চেয়ে শক্তিশালী রাবীর বিরোধিতা করেন তাহলে তার বর্ণনা গ্রহণযোগ্য হবেনা। এখানে তাই হয়েছে। মুমিল ইবনে ইস্মাইল কে মুহাদ্দিসিনে কেরাম রাবি হিসাবে খুবই দুর্বল বলেছেন। আল্লাম নিমী বলেন মুমিল ইবনে ইস্মাইল কে বহু মুহাদ্দিস দুর্বল বলেছেন। প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফকীহ আল্লামা যাহবী “কাশিফ” নামক কিতাবে বলেন মুমিল একজন সত্যবাদি রাবি কিন্তু তার প্রচুর ভূল আছে। তার সম্পর্কে বলা হয়েছে তার কিতাব সমুহ কে মাটির নিচে দাফন করে ফেলা হয়েছিল। ফলে তিনি মুখস্ত হাদিস বর্ণনা করতেন এবং ভূল করতেন। হাফেযুল হাদিস আল্লামা ইবনুল হাজল আস্কালানি “তাহযিবুত তাহযিব” নামক কিতাবে বলেন ইমাম বুখারি তার সম্পর্কে বলেছেন মুমিল একজন হাদিস আস্বীকারকারী। আল্লামা ইবনুল সাদ বলেন মুমিল গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তার প্রচুর ভূল হয়েছে। আল্লামা ইবনুল কানে বলেন মুমিল গ্রহণযোগ্য কিন্তু বেশি ভূল করে। ইমাম দারে কুত্নি তার সম্পর্কে বলেন গ্রহণযোগ্য কিন্তু বেশি ভূল করে। আল্লামা আবু যারআ এবং আবু হাতিম ও অনুরুপ কথা বলেছেন। তাকরিব নামক কিতাবে তার সম্পর্কে বলা হয়েছে সত্যবাদি কিন্তু তার স্বরণশক্তি খুব খারাপ। আল্লামা ইবনুত তুরকামানি “আলজাওহারুন নাকী” নামক কিতাবে বলেন তার সমস্ত কিতাব দাফন করে ফেলা হয়েছিল। ফলে তিনি মুখস্ত হাদিস বর্ণনা করতেন এবং প্রচুর ভূল করতেন। মুহাম্মদ ইবনে নসর আল মারুযি বলেন কোন হাদিস যদি শুধুমাত্র মুমিল থেকে বর্ণিত হয় তাহলে সে হাদিস সম্পর্কে নিরবতা অব্লম্বন জরুরী। কারণ তার স্বরণশক্তি খুব দুর্বল এবং সে প্রচুর ভূল করে। (ফাতহুল মুলহিম ৩য় খন্ড ৩০৪পৃ, আল উরফুস সুযি ১ম খন্ড২৯০পৃ, মারিফুস সুনান ২য় খন্ড ৪৩৫পৃ, বাযলুল মাযহুদ ২য় খন্ড ২৬পৃ, আসারুস সুনান ৬৫পৃ, তানযিমুল আস্তাত ১ম খন্ড ৩০২পৃ) মুমিল ইবনে ইস্মাইল এর উক্ত বর্ণনা ভূল হওয়ার আরেকটি প্রমাণ হল উক্ত রেওয়াআতটি মুমিল সুফিয়ান সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সুফিয়ান সাওরির মাযহাব ছিল নাভীর নিচে হাত রাখা। সুতরাং উক্ত কথার দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায় যে মুমিল নিজের থেকে “বুকের উপর” শব্দটি বাড়িয়ে দিয়েছেন।(শরহুল মুন্তাকা ২য় খন্ড ২৭৮পৃ, মারেফুস সুনান ৪৩৮পৃ) শায়খ নাসিরুদ্দিন আল্বানিও উক্ত হাদিসটিকে দুর্বল বলেছেন। (সূত্র http://www.masjidsalauddin.com) তবে মুসনাদে বাজ্জারে একটি বর্ণনা আছে যেখানে উক্ত হাদিসে عند صدره (বুকের কাছে) শব্দ আছে। এটার জবাব হল উক্ত হাদিসের ভিত্তি হল মুহাম্মদ ইবনে হাজর এর উপর। প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা যাহবি তার সম্পর্কে বলেন, তার বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং উক্ত বর্ণনাটিও গ্রহণযোগ্য নয়। (আযযাওয়াইদ ২য় খন্ড ৩৫পৃ,তাকরিরে তিরমিযি ২য় খন্ড ২২পৃ) ২য় দলীলঃ عن ابن عباس في قوله تعالي فصل لربك وانحر قال وضع اليمين علي الشمال عند النحرفي الصلاة رواه البـيهقي في سننه “ইবনে আব্বাস (র) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি উক্ত আয়াতের তাফসিরে বলেন নামাযে বুকের কাছে ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখবে”। (বায়হাকী শরীফ) উক্ত হাদিসের সনদ কে মুহাদ্দিসিনে কেরাম অত্যান্ত দুর্বল বলেছেন। কারণ উক্ত হাদিসের সনদে “রুহ ইবনুল মুসাইয়য়াব” নামে একজন দুর্বল রাবি আছেন যিনি হাদিস শাস্ত্রে পরিত্যক্ত। আল্লামা ইবনে হাব্বান বলেন তিনি জাল হাদিস বর্ণনা করেন। সুতরাং তার হাদিস গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লামা ইবনে আদি বলেন তার হাদিসগুলো সংরক্ষিত নয়। এভাবে তিনি হজরত আলী (র) থেকে এরকম যে সকল হাদিস বর্ণনা করেছেন সবগুলোর একই হুকুম। আল্লামা ইবনে তুরকুমানি বলেন উক্ত হাদিসের সনদে ইযতিরাব আছে। আল্লামা মারদিনি “আল জাওহারুন নকি” নামক কিতাবে প্রমাণ করেছেন যে উক্ত হাদিসের সনদ এবং মতন উভয়টিতে ইযতিরাব আছে। আল্লামা ইবনে কাসির উক্ত তাফসির কে বর্ণনা করে বলেন যে উক্ত তাফসিরটি সঠিক নয়। বরং উক্ত আয়াতের সঠিক তাফসির হল কোরবানির দিন কোরবানির জন্তু জবেহ করা। (তাফসিরে ইবনে কাসির ৪র্থ খন্ড ৫৫৮পৃ, তালিকুল হাসান ১ম খন্ড ৪৯পৃ, এলাউস সুনান ২য় খন্ড ২০০পৃ, তানযিমুল আস্তাত ১ম খন্ড ৩০২পৃ, আল ফাতহুর রাব্বানি ৩য় খন্ড ১৭৪পৃ, আলজাওহারুন নকি ২য় খন্ড ৩০পৃ, তাকরিরে তিরমিযি ২য় খন্ড ২৩পৃ, মারিফুস সুনান ২য় খন্ড ৪৩৮পৃ,ফাতহুল মুলহিম ৩য় খন্ড ৩০৫পৃ) ৩য় দলীলঃ عن هلب رض كان النبي صلي الله عليه وسلم ينصرف عن يمينه وعن شماله ويضع هذه علي صدره হুলুব (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রসুল (স) বুকের উপর হাত রেখেছিলেন। আল্লামা নিমি “আসারুস সুনান” নামক কিতাবে শক্তিশালী দলীল দিয়ে এ কথা প্রমান করেছেন যে উক্ত বর্ণনার শব্দে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আসল করা হয়েছে। সুতরাং উক্ত ويضع هذه علي صدره যেটাকে ভূলে يضع هذه علي هذه বর্ণনা দ্বারা দলীল দেওয়া ঠিক হবেনা। সুতরাং নামাযে বুকের উপর হাত রাখার যে তিনটি দলীল বর্ণিত হয়েছে তিনটি হাদিসেই সনদের দিক দিয়ে অত্যান্ত দুর্বল যা উপরে বিস্তারির আলোচনা হয়েছে। সার কথা সাহাবায়ে কেরাম এবং ইসলামের স্বর্ণ যুগ তথা কুরুনে সালাসার আমল দেখলে আমরা এ ব্যপারে দু ধরণের আমল দেখতে পাই। প্রথমটি হল নাভীর নিচে হাত বাধা এবং দ্বিতীয়টি হল নাভীর উপর বুকের নিচে হাত বাধা। উভয়টি সালাফ থেকে প্রমাণিত এবং উভয়টির উপর আমল করা যাবে যেমন ইমাম তিরমিযি (র)বলেছেন। তবে নাভীর নিচে হাত বাধার দলীল অধিক শক্তিশালী যা উপরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে বুকের উপর হাত রাখা সালাফ থেকে প্রমাণিত নয় এবং দু একটি বিচ্ছিন্ন বর্ণনায় তা এসেছে যা অত্যান্ত দুর্বল। ইমাম মালেক বুকের উপর হাত রাখাই মাকরুহ বলেছেন। যদি বুকের উপর হাত রাখার সহিহ কোন দলীল থাকত তাহলে তিনি কখনো এটিকে মাকরুহ বলতে পারতেননা। এখানে আসল কথা হল যেটা খাতেমাতুল মুহাদ্দিসিন আল্লামা আনওয়ার শাহ কাস্মেরি বলেছেন যে আসলে নাভীর নিচে, নাভীর উপরে এবং বুকের কাছে, এ শব্দগুলোর মধে খুব একটা পার্থক্য নেই এবং স্থানগুলোও খুব কাছাকাছি এবং এ শব্দগুলোর অর্থ প্রায় এক। শায়খ আবেদ সিন্দি এবং শায়খ ইবনুল হুমাম বলেন নাভীর নিচে হাত রাখার হাদিস অধিক শক্তিশালী। যেহেতু বুকের উপর অথবা নাভির নিচে উভয় বর্ণনায় কিছুটা দুর্বলতা পাওয়া যায়, যদি আমরা উভয় বর্ণনাকে বাদ দিয়ে নেকায়া গ্রন্থকার এর কথা মেনে নেই তাহলে সবচেয়ে ভাল হয়। তিনি বলেছেন ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখা ছহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, কিন্তু বুকের উপর অথবা নাভীর নিচে হাত রাখার ব্যাপারে সুষ্পষ্ট এমন কোন হাদিস নেই যার দ্বারা আমল ওয়াজিব হয়। সুতরাং এখানে আমাদের কে কিয়াসের দিকে ফিরে যেতে হবে।নামাযে দন্ডায়মান অবস্থা হল নম্র ভিক্ষুকের অবস্থার মত। দুনিয়াতে আমরা সম্মানিত ব্যাক্তির সামনে দাড়ানোর সময় হাত নিচের দিকে রাখি, কখনো উপরে উঠাইনা। তদ্রুপ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সামনেও তার সম্মানার্থে আমরা হাত নিচে রাখব । উপরে উঠাবনা।এটাই সম্মানের দাবি। সুতরাং কিয়াস অনুযায়ী নাভীর নিচে হাত রাখাই প্রামাণিত হয়। তবে মহিলারা হাত বুকের উপর রাখবে কারণ সেটার দ্বারা তাদের পর্দা রক্ষা হবে যা তাদের জন্য ফরয। (মিরকাতুল মাফাতিহ ৫০৯পৃ ২য় খন্ড, ফাতহুল মুলহিম ৩য় খন্ড ৩০৬পৃ, মারিফুস সুনান ২য় খন্ড ৪৪৫পৃ, আলুউরফুস সুযি ১ম খন্ড২৯১পৃ, তাকরিরে তিরমিযি ২য় খন্ড ২৪পৃ) আমাদের দেশে কিছু মানুষ না জেনে না বুঝে এ কথা প্রচার করছে যে নাভীর নিচে হাত বাধার সবগুলো হাদিস দুর্বল। আমি তাদেরকে সবিনয়ে অনুরোধ করব সিহাহ সিত্তাহ সহ অন্যাণ্য ছহীহ হাদিসের কিতাবসমূহ এবং তার বিখ্যাত ব্যাখাগ্রন্থগুসমূহ অধ্যায়ন করার জন্য। তাহলে আমরা সঠিকভাবে সুন্নাহ এর অনুসরণ করতে পারব। তারা আরো বলে থাকেন আমরা নাকি ইমাম আবু হানিফার অন্ধ অনুসরণ করে থাকি এমন কি ছহীহ হাদিস যদি ইমাম আবু হানিফার বিরুদ্বে যায় তারপরেও নাকি আমরা ইমাম আবু হানিফার অনুসরণ করে থাকি। অথচ এ সব কথা সম্পূর্ণ ভূল এবং আমাদের বিরুদ্বে প্রপাগান্ডা ছাড়া আর কিছু নয়। যাদের প্রকৃত কোরান সুন্নাহর জ্ঞান নেই একমাত্র তারাই এসব কথা বলতে পারেন। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই আমরা ইমাম আবু হানিফাকে অনুসরণ করিনা, বরং আমরা কোরান ও সুন্নাহ কে অনুসরণ করি। তবে যে সব মাসয়ালা জটিল এবং সবার বোধগম্য নয় এবং ইজতিহাদের প্রয়োজন সে সব মাসয়ালায় ইমাম আবু হানিফা কোরান ও হাদিস থেকে যে সমাধান দিয়েছেন আমরা শুধু সেটার অনুসরণ করি। আলআজহার বিশ্ববিদ্যালয় এর ফতওয়া وخلاصة الموضوع أن أرجح الأقوال هو استحباب قبض اليد اليمنى على رسغ اليد اليسرى، ووضعهما على أسفل الصدر فوق السرة، ويجوز إرسالهما عند السكون ، وذلك هو قول الشافعية ، هذا وليس هناك دليل صحيح على أن اليدين يسن وضعهما لأعلى الصدر عندالعنق “বিভিন্ন মতামত থেকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মতামত হল নাভীর উপরে বুকের নিচে ডান হাত কে বাম হাতের উপর কব্জির উপর রাখা। তবে বুকের উপর হাত রাখার উপর কোন ছহীহ দলীল নেই” ফাতওয়ার শেষাংশে উল্লেখ আছে” وأنبه إلى أن الأمر واسع كما قال ابن قدامة ،. ولا يجوز التعصب لرأى من الآراء ، والخلاف والتنازع فى هذه الهيئة البسيطة مع عدم الاهتمام بالخشوع الذى هو روح الصلاة والأساس الأول فى قبولها عند اللَّه ، هو ظاهرة مرضية لا صحية . والإسلام قد نهى عن الجدل وبخاصة فى هذه الهيئات البسيطة “স্বরণ রাখা প্রয়োজন যে এখানে মাসয়ালা প্রসস্ত যে রকম আল্লামা ইবনে কুদামা বলেছেন যে এখানে কোন একটি রায়ের উপর অটল থাকা জায়েয হবেনা। আর নামাজের আসল রুহ এবং কবুল হওয়ার আলামত তথা খুশু এর দিকে দৃষ্টিপাত না করে এ সব নিয়ে ঝগড়া করা (হাত কোথায় রাখব) একটি প্রকাশ্য রোগ। আর ইসলাম বিশেষভাবে এ সমস্ত ব্যাপারে ঝগড়া করা থেকে সম্পূর্ণ নিষেধ করে দিয়েছে। (সুত্র Click This Link মিশরের প্রখ্যাত আলেম শাইয়খ আব্দুল আলিম মুতাওয়াল্লি বলেন- ومن هنا فوضع اليدين في الصلاة على أي صورة سنة من سنن الصلاة لا تبطل بفقدها ، ولا ينبغي أن يكون هذا الخلاف الفقهي بين المذاهب مدعاة للتفرقة والشحناء والبغضاء ، فالأمر فيه واسع ، ولا داعي لتخطئة أي فريق . “নামাযে যে কোন জায়গায় হাত রাখলে সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে, তার দ্বারা নামাজের কোন ক্ষতি হবেনা। মাযহাবগত এই মতবিরোধ যাতে মানুষের মধ্যে দলাদলি,হিংশা এবং বিদ্বেষের কারণ না হয় সে দিকে সবার লক্ষ রাখা উচিত। কারণ এখানে মাসয়ালা প্রসস্ত এবং কোন দল কে মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা উচিত হবেনা”। فليس هناك من المذاهب الأربعة يذهب إلى وضع اليدين على الصدر. قال الإمام الذهبي رحمه الله: (لا يكاد يوجد الحق فيما اتفق أئمة الإجتهاد الأربعة على خلافه، مع اعترافنا بأن اتفاقهم على مسألة لا يكون إجماع الأمة، ونهاب أن نجزم في مسألة اتفقوا عليها بأن الحق في خلافها) سير أعلام النبلاء 7/17 . ولا النحر في القيام في الصلاة، وعلى هذا درج الناس إلى وقت غير بعيد. فمن أين جاءنا وضع اليدين على الصدر أو على النحر في الصلاة؟ في ظني أن أول من ظهر بهذا بعض المشتغلين بالحديث الشريف بالهند والمتحاملين على المذاهب الأربعة، أرادوا أن يتميزوا عن أتباع المذاهب الأربعة في صفة الصلاة.. ثم انتقل هذا الأمر إلى بلاد الشام فأخذها مشتغل بالحديث، وظن بعض الناس أن هذا من اجتهاداته وفرائده، فذكر هذا في بعض كتبه وقسا على من يخالفهم. “চার ইমামের কোন ইমাম বুকের উপর হাত বাধতে বলেননি। প্রখ্যাত আলেম আল্লামা যাহবি বলেন চার ইমামের মতের বাহিরে হক থাকতে পারেনা,চার ইমাম যে বিষয়ের উপর ঐক্যমত্য পোষন করেছেন তার বাহিরে হক থাকার বিশ্বাস করা কে আমরা ভয় করি। (সিয়ারে আলামুন নুবালা ৭ম খন্ড ১৭পৃ) মানুষ চার ইমামের কথার উপর বহুদিন ধরে আমল করে আসছে, সুতরাং নামাজে বুকের উপর হাত রাখা কোথাথেকে আসল? আমার ধারণা মতে, ভারতে মাযহাবের বিরোধিতাকারি কিছু লোক এই জিনিষ্টি শুরু করেছে এবং তাদের আসল উদ্দেশ্য হল নামাজের ক্ষেত্রে চার ইমামের বিরোধিতা করা। তারপর ধিরে ধিরে এই জিনিষ্টি সিরিয়ায় চলে গিয়েছে এবং সেখানকারর কিছু লোক এটি গ্রহণ করেছে এবং কিছু লোক মনে করল যে এটা তারা ইজতিহাদ করে বের করেছে। (http://www.masjidsalahuddin.com) আমাদের দেশে আমরা দেখছি যে কিছু মানুষ নামাজের ব্যাপারে মানুষদের কে বিভ্রান্ত করছেন এবং উদ্দেশ্যগতভাবে হানাফি মাযহাবের আনুসারিত হাদিসগুলোকে দুর্বল বলছেন। যার ফলে মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং দলাদলি সৃষ্টি হচ্ছে যা কখনো আমাদের মধ্যে কাম্য ছিলনা। তার মধ্যে একটি বিষয় হল নামাজে নাভীর নিচে হাত রাখা। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, তাবয়ে তাবেয়ি্‌ন, মুহাদ্দিসিনে কেরাম এবং ফোকাহায়ে কেরাম থেকে নিয়ে শত শত বছর ধরে উক্ত আমল টি চলে আসছে যাকে ফেকাহের ভাষায় তাওয়াতুর বলা হয়। এবং এটাই হল উক্ত আমল টি সুন্নাত হওয়ার সবচেয়ে বড় দলীল। এখন কেহ যদি নতুন করে এসে নতুন করে মনগড়া কিছু চালু করতে চায় তাহলে সেটা হাদিসের অপব্যাখা এবং নিজের মনপূজা ছাড়া আর কিছু হবেনা। আমার জানা মতে শায়খ নাসিরুদ্দিন আল্বানি নামাজে বুকের উপর হাত রাখতে বলেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে শায়খ নাসিরুদ্দিন আল্বানি হাম্বলি মাযহাবের অনুসারী ছিলেন (সুত্রঃ ওয়েকেপেডিয়া) তবে তিনি এখানে এসে স্বীয় মাযহাবের বিরোধিতা করেছেন এবং বুকের উপর হাত বাধতে বলেছেন। এখানে যেহেতু তিনি স্বীয় মাযহাবের বিরোধিতা করেছেন তাই এটি তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার যাকে ফিকাহের ভাষায় তাফাররুদাত বলে। ফোকাহায়ে কেরামের উসূল হল কেহ যদি স্বীয় মাযহাবের বিরোধিতা করে ভিন্ন মত পোষণ করে তাহলে তার কথা অণ্যান্যদের জন্য দলীল হতে পারেনা। তাছাড়া ফোকাহায়ে কেরামদের ৭টি স্থর আছে ৬০০ হিজরির পরে যারা এসেছেন তারা সবাই ৭ম স্থরের। এবং পরের যুগের কোন ফকীহের কথা ততক্ষন গ্রহণযোগ্য হবেনা যতক্ষন সে পূর্ববর্তী ফকীহদের কথার রেফারেন্স না দেয়। (শরহে উকূদে রাসমুল মুফতি) শায়খ আলুবানি সম্পর্কে সৌদি আরবের প্রাক্তন গ্রান্ড মুফতি আল্লামা বিন বায (র) কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন- الشيخ محمد ناصر الألباني –ناصر الدين الألباني- من خيرة الناس وهو من العلماء المعروفين بالاستقامة والعقيدة الطيبة والجد في تصحيح الأحاديث, وبيان حالها فهو عمدة في هذا الباب, ولكن ليس بمعصوم, قد يقع منه خطأ في تصحيح بعد الأحاديث أو تضعيفها, ولكن مثل غيره من العلماء, كل عالم هكذا له بعض الأخطاء من الأولين والآخرين, فالواجب على طالب العلم أن ينظر فيما صححه وحسنه وضعفه إذا كان من أهل العلم, من أهل الصناعة يعرف الحديث وينظر في طرقه وينظر في رجاله فإن ظهر له صحة ما قاله الشيخ فالحمد لله, وإلا اعتمد ………….. من الأدلة التي سلكها أهل العلم في هذا الباب؛ لأن أهل العلم وضعوا قواعد في تصحيح الأحاديث وتضعيفها “শায়খ নাসিরুদ্দিন আল্বানি প্রসিদ্ব হাক্বানি আলেম ছিলেন কিন্তু তিনি মাসুম নন, কিছু কিছু হাদিস কে ছহীহ এবং যয়ীফ বলার ক্ষেত্রে তার ভূল হয়েছে, যে রকম অণ্যদের হয়। সাধারণত এ রকম ভূল সবারই হয়ে থাকে। সুতরাং আলেমদের উপর ওয়াজিব শায়খ আলবানি যে সমস্ত হাদিস কে ছহীহ অথবা জয়ীফ বলেছেন সে গুলোর ব্যাপারে গবেষনা করা,যাচাই বাচাই করা, যদি শায়খ আলবানির কথা সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ, অণ্যথায় ওলামায়ে কেরাম দলীলের আলোকে যেটি বলেছেন সেটি গ্রহণ করবে। কারণ মুহাদ্দিসিন কেরাম হাদিস ছহীহ এবং যয়ীফ বুঝার জন্য কায়েদা প্রনয়ন করেছেন।(সূত্র http://www.al-sunan.org) আল্লামা বিন বায শাইয়খ আলবানি রচিত “ছিফাতুস সালাত” নামক কিতাবের ও কিছু ভূল ধরেছেন এবং সে গুলোর সংশোধন করে দিয়েছেন। বিস্তারিত জানতে উপরের ওয়েবসাইটটি দেখুন। আল্লামা বিন বাযের উক্ত উত্তর থেকে আমরা অনুধাবন করতে পারি যে শাইয়খ আলবানির সব কথা দলীল নয়, বরং সে গুলোর ব্যাপারে গবেষনা করা প্রয়োজন। সে হিসাবে বুকের উপর হাত রাখা এটি তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এটি কখনো অন্যদের জন্য দলিল হতে পারেনা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ইসলাম এর প্রথম তিন যুগ এর আমল হল আমাদের দলীল। রসূল (স) বলেন- خير الناس قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم পৃথিবীর সবচেয়ে ভাল মানুষ হল আমার যুগের মানুষ (অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরাম) এরপর হল তাবেইনগণ এরপর তাবয়ে তাবেয়িনগণ। উপরোক্ত তিন যুগের জন্য রসূল (স) সার্টিফিকেট প্রদান গিয়েছেন। সুতরাং এর পরে যত বড় আলেম আসুক না কেন, তার কথা কখনো কারও জন্য দলীল হতে পারেনা। যদি কেহ সেটি কে দলীল হিসাবে নিতে চায় তাহলে সে পথভ্রষ্ট হবে।” উপরের আলোচনার দ্বারা আমরা বুঝতে পারি যে নাভীর নিচে অথবা নাভীর উপরে (বুকের নিচে) হাত রাখা উভয়টি রসূল (স) এর সহীহ হাদিস এবং সাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত। যে কোন একটির উপর আমল করা যাবে তবে দলীলের দিক দিয়ে নাভীর নিচে হাত রাখা অধিক শক্তিশালী। এর বাইরে কোন আমল রসূল (স) থেকে প্রমাণিত নাই। তাছাড়া এ ব্যাপারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা, একে অপরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা অজ্ঞতা এবং স্বজনপ্রীতি ছাড়া আর কিছু নয় যা আমরা উপরের আলোচনা দ্বারা বুঝতে পেরেছি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ি আমল করার এবং যাবতীয় ফিতনা থেকে বেচে থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।
    • Nasir বলেছেন:

      রাসুল সাঃ কিসের তৈরী – মাটির নাকি নূরের?
      রাসুল সাঃ কিসের তৈরী – মাটির নাকি নূরের?
      আদম (আঃ) ছিলেন মাটির তৈরী আর ফেরেশতারা ছিলেন নূরের তৈরী। মাটির তৈরী আদম (আঃ) কে সিজদা করেছিলেন নূরের তৈরী ফেরেশতারা। এখন যারা নবী (সাঃ) কে নূরের তৈরী দাবী করে এরা আসলে নবী (সাঃ) এর সাথে বেয়াদবী করে কুফুরী করে কারণ আল্লাহ্ আমাদের মাটি থেকে তৈরী করে যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন তা তারা অস্বীকার করে। এছাড়া এটা কুফুরী আকীদা এই কারণে যে, এটা কুরানের আয়াতকে অস্বীকার করা হয়, কারণ আল্লাহ্ কুরানুল কারীমে বলেছেন,
      “(হে নবী) আপনি বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ।”
      সুরা আল-কাহফ, আয়াত ১১০।
      আর মানুষকে আল্লাহ্ কি থেকে সৃষ্টি করেছেন সেটা উল্লেখ করেছেন,
      “যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেশতাগণকে বললেন, আমি মাটি দ্বারা মানুষ সৃষ্টি করব।”
      সুরা সোয়াদ, আয়াত ৭১।
      সুতরাং কুরান দ্বারা প্রমানিত হলো, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মানুষ ছিলেন তবে মানুষ হলেও তিনি আল্লাহর রাসুল ছিলেন যার কারণে তাঁর মর্যাদা অনেক উপরে। আর যেহেতু তিনি নবী হওয়ার সাথে সাথে একজন মানুষও ছিলেন আর সমস্ত মানুষকে আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে তাই নবী (সাঃ) ও মাটির তৈরী মানুষ ছিলেন।
      চ্যানেল আইয়ের মতো কবর পূজারী ভন্ডরা আজকাল উঠেপড়ে লাগছে – নবী নাকি নূরের তৈরী। এই ভন্ডগুলো রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে গালি গালাজ করে এমন নাস্তিকদের প্রশংসা করে, তাদের মুসলমান বলে জানাযা পড়ে আর এদের কোনো একটা ধ্বংস হলে শহীদ বলে ঘোষণা করে। এই ভন্ডগুলোই নবী নূরের তৈরী এই কুফুরী আকীদা প্রচার করছে চ্যানেল আই, মাই টিভি, বাংলাভিশন আর অন্যান্য কবর পূজারী বেদাতী প্রচার মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে।
      সবাই শেয়ার করুন, কবর পূজারীদের বিরুদ্ধে মানুষকে সতর্ক করুন।

    • Nasir বলেছেন:

      “কুরআন, হাদীস ও চার ইমামদের দৃষ্টিতে মাযহাব (পথ)”
      বর্তমানে সারাবিশ্বে মুসলমানের সংখ্যা আড়াইশো কোটিরও বেশী। পৃথিবীর প্রত্যেক তিনজন ব্যাক্তির মধ্যে একজন মুসলমান। অমুসলিমদের কাছে আমরা অর্থাৎ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা মুসলমান বলে পরিচিত হলেও মুসলিমরা নিজেদের মধ্যে অনেক নামে পরিচিত। যেমন, হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী, হাম্বলী প্রভৃতি। এই নাম গুলি আল্লাহ বা মুহাম্মাদ (সা) এর দেওয়া নয় এমনকি যাঁদের নামে এই মাযহাব তৈরি করা হয়েছে তারাও এই নাম গুলো দেয়নি। মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত চারটি মাযহাব, দল বা ফিকাহ ইসলামের কোনো নিয়ম বা বিধান মেনে তৈরি করা হয়নি। কারন ইসলাম ধর্মে কোনো দলবাজী বা ফিরকাবন্দী নেই। মুসলমানদের বিভক্ত হওয়া থেকে এবং ধর্মে নানা মতের সৃষ্টি করা থেকে কঠোরভাবে সাবধান করা হয়েছে। এই মাযহাবগুলো রসুল (যা) এবং সাহাবাদের (রা) সময় সৃষ্টি হয়নি। এমনকি ঈমামগনের সময়ও হয়নি। চার ইমামের মৃত্যুর অনেক বছর পরে তাঁদের নামে মাযহাব তৈরি হয়েছে। কোরআন হাদীস ও চার ইমামের দৃষ্টিতে মাযহাব কি, কেন, মাযহাব কি মানতেই হবে, মাযহাব মানলে কি গোনাহ হবে, সে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ্!
      মাযহাব তৈরিতে আল্লাহর কঠোর নিষেধাজ্ঞা
      আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সূরা আল – ইমরানঃ ১০৩ নম্বর আয়াতে বলেছেন-
      “তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যেওনা । ”
      মুসলমানেরা যাতে বিভিন্ন দলে আলাদা বা বিভক্ত না হয়ে যায় সে জন্য আল্লাহ পাক আমাদের কঠোরভাবে সাবধান করেছেন। যেমন আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সূরা আন-আমর এর ১৫৯ নম্বর আয়াতে বলেছেন –
      ‘যারা দ্বীন সন্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন, দলে বিভক্ত হয়েছে হে নবী! তাদের সাথে তোমার কোনও সম্পর্ক নেই; তাদের বিষয় আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবগত করবেন ।“
      একটু থামুন। উপরের আয়াতটা দয়া করে বারবার পড়ুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন, চিন্তা করুন। আল্লাহ তা’আলা সরাসরি বলেছেন যারা দ্বীন বা ধর্মে অর্থাৎ ইসলামে নানা মতগের সৃষ্টি করেছে এবং বিভক্ত হয়েছে, তাদের সাথে আমাদের নবী মহাম্মাদ (সা) এর কোনো সম্পর্ক নেই। যার সাথে নবীজীর (সা) কোনো সম্পর্ক নেই সে কি মুসলমান? সে কি কখনো জান্নাতের গন্ধও পাবে। আমরা মুসলমান কোরআন হাদীস মাননে ওয়ালা এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। আল্লাহ বলেন-
      “ তোমাদের এই যে জাতি, এতো একই জাতি; এবং আমিই তোমাদের প্রতিপালক, অতএব আমাকে ভয় করো । ” (সূরা মু’মিনুন ২৩/৫২)।
      তাহলেই বুঝতেই পড়েছেন ফরয, ওয়াজীব ভেবে আপনারা যা মেনে চলছেন আল্লাহ তা মানতে কত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন তবে শুধু এইটুকুই নয় আল্লাহ আরও অনেক আয়াতে এ ব্যাপারে মানুষকে সাবধানবানী শুনিয়েছেন। যেমন সূরা রূমের ৩১-৩২ নং আয়াতে আল্লাহ পাক বলছেন-
      ‘….. তোমরা ঐ সকল মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে শতধা বিচ্ছিন্ন করে বহু দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দল নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়ে খুশি’ ।
      বর্তমানে আমাদের সমাজের অবস্থাও ঐ মুশরিকদের মতো। ইসলামকে তারা (মাযহাবীরা) বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছে এবং তাদের নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়েই তারা খুশি। তাদের সামনে কোনো কথা উপস্থাপন করলে তারা বলেনা যে কুরআন হাদীসে আছে কি না ? তারা বলে আমাদের ইমাম কি বলেছে। এরা কুরআন হাদীসের থেকেও ইমামের ফিকাহকে অধিক গুরুত্ব দেয়। অথচ ইসলামের ভিত্তি হচ্ছে কুরআন হাদীস। তা ছাড়া অন্য কিছু নয়। উপরের আযাতে আল্লাহ তা’আলা আমাদের উপদেশ দিয়েছেন তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না; তোমরা ইসলামে মাযহাবের সৃষ্টি করো না। অথচ আমরা কুরআনের নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে দ্বীনে দলের সৃষ্টি করেছি এবং নিজেকে হানাফী, মালেকী বা শাফেরী বলতে গর্ব অনুভব করছি। আল্লাহ সূরা হুরুরতের ১ আয়াতে বলেন –
      ‘হে ইমানদারগন তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সামনে অগ্রগামী হয়ো না, এবং আল্লাহকে ভয় করো; আল্লাহ সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী। ”
      আমার প্রিয় মাযহাবী ভাইয়েরা! এরকম কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশ জানার পরও কি আপনারা মাযহাবে বিশ্বাসী হবেন এবং নিজেকে মাযহাবী বলে পরিচয় দেবেন। যারা জানে না তাদের কথা আলাদা। আল্লাহ সূরা যুমারের ৯ নং আয়াতে বলেন –
      ‘বলো, যারা জানে এবং যারা জানেনা তারা কি সমান?”
      তাই আজই তওবা করে সঠিক আব্বীদায় ফিরে আসুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলাম বোঝার তোফিক দিন। আমীন!
      মাযহাব কেন সঠিক নয়??
      আপনি যদি নিচের ৩ টি উদাহরনের সঠিক সমাধান দিতে পারেন তাহলে মাযহাব মানা সঠিক হবে-
      ১. ইমাম হানাফী মাযহাব মতে অজু করার পর কোন ব্যক্তির যদি কোন মহিলার গায়ে স্পর্শ লাগে তাহলে তার অজু নস্ট হবে না । আর ইমাম শাফেঈর মাযহাব মতে অজু করার পর কোন ব্যক্তির যদি কোন মহিলার গায়ে স্পর্শ লাগে তাহলে তার অজু নস্ট হবে ।
      মাযাহাবী ভাইদের প্রতি প্রশ্নঃ
      কোন নও মুসলিম (অন্য ধর্ম থেকে মুসলিম হয়েছে) আপনার কাছে জানতে চায় যে যদি কোন মহিলার গায়ে স্পর্শ লাগে তাহলে তার অজু নস্ট হবে কি না? আপনি কি বলবেন হানাফী মাযহাফ মতে নস্ট হবে না আর শাফেঈ মাযহাব মতে নস্ট হবে ।
      নাকি সঠিক উত্তর হবে সহিহ হাদিস আনুসারে ।
      ২. ইমাম হানাফী মাযহাব মতে তাকবির দেয়ার পর হাত বাধে নাভীর নিচে , শাফেই মাযহাবে হাত বাধে বুকের উপর এবং ইমাম মালেক মাযহাবে হাত বাধে না ।
      মাযাহাবী ভাইদের প্রতি প্রশ্নঃ
      কোন নও মুসলিম (অন্য ধর্ম থেকে মুসলিম হয়েছে) আপনার কাছে জানতে চায় যে তাকবির দেয়ার পর হাত কোথায় বাধবে ??? আপনি তাকে কোন মতটা দিবেন???
      নাকি সঠিক উত্তর হবে সহিহ হাদিস আনুসারে ।
      ৩. হানাফীরা নামজে নিরবে আমিন বলে এবং সূরা ফাতেহা পাঠ করেনা । আর শাফেঈরা জোরে আমিন বলে সূরা ফাতেহা পাঠ করে ।
      মাযাহাবী ভাইদের প্রতি প্রশ্নঃ
      কোন নও মুসলিম (অন্য ধর্ম থেকে মুসলিম হয়েছে) আপনার কাছে জানতে চায় যে কোন নিয়মটা সঠিক ? আপনি তাকে কোন মতটা দিবেন???
      পরিশেষে বলা যায় নবী (সাঃ) এর এক নীতি ছিল এবং আমাদের ও এক নীতি থাকতে হবে । যদি নিজেকে মুসলিম বলে পরিচয় দিতে চান ।
      ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেননি
      ভারতবর্ষের বিখ্যাত হাদীসশাস্ত্রবিদ ও হানাফীদের শিক্ষাগুরু যাকে হানাফীরা ভারতবর্ষের ‘ইমাম বুখারী’ বলে থাকেন সেই শাহ আলিউল্লাহ মুহাদ্দিসদেহেলভী (রহ) বলেছেন – ‘ই’লাম আন্না না-সা-কা-নু ক্কারলাল মিআতির রা-বিআতি গাইরা মুজমিয়ীনা আলাত্-তাকলীদিল খা-লিস লিমায় হাবিন্ ওয়া-হিদিন্ বি-আইনিহী’ অর্থাৎ তোমরা জেনে রাখো যে, ৪০০ হিজরীর আগে লোকেরা কোন একটি বিশেষ মাযহাবের উপর জমে ছিল না’ (হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাহ; ১৫২ পৃষ্ঠা)। অর্থাৎ ৪০০ হিজরীর আগে নিজেকে হানাফী, শাফেরী বা মালেকী বলে পরিচয় দিতো না। আর চারশো হিজরীর অনেক আগে ইমামরা ইন্তেকাল করেন। ইমামদের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কালটা একবার জানা যাক তাহলে ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে।
      ইমামের নাম জন্ম মৃত্যু
      আবু হানীফা (রহ) ৮০ হিজরী ১৫০ হিজরী
      ইমাম মালেক (রহ) ৯৩ হিজরী ১৭৯ হিজরী
      ইমাম শাকেরী (রহ) ১৫০ হিজরী ২০৪ হিজরী
      আহমদ বিন হাম্বাল (রহ) ১৬৪ হিজরী ২৪১ হিজরী
      বিশিষ্ট হানাফী বিদ্বান শাহ ওলিউল্লাহ দেহেলভী (রহ) এর কথা যদি মেনে নেওয়া যায় যে ৪০০ হিজরীর আগে কোনো মাযহাব ছিল না, এবং ৪০০ হিজরীর পরে মানুষেরা মাযহাব সৃষ্টি করেছে, তার মানে এটা দাঁড়ায় যে আবু হানীফার ইন্তেকালের ২৫০ বছর পর হানাফী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। ইমাম মালেকের ইন্তেকালের ২২১ বছর পর মালেকী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। ইমাম শাফেরীর ইন্তেকালের ১৯৬ বছর পরে শাফেরী মাযহাব এবং ইমাম আহমাদের ইন্তেকালের ১৫৯ বছর পর হাম্বলী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ ইমামদের জীবিত অবস্থায় মাযহাব সৃষ্টি হয়নি। তাঁদের মৃত্যুর অনেকদিন পরে মাযহাবের উদ্ভব হয়েছে। আর একবার চিন্তা করে দেখুন মাযহাব বা দল সৃষ্টি করাতে কোরআন ও হাদিসে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহামান্য ইমামরা ছিলেন কোরআন হাদীসের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসারী এবং ধর্মপ্রান মুসলিম। তাঁরা কি কোরআন হাদীসকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মাযহাব তৈরি করবেন যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, এটা কখনো হতে পারে? যারা বলে ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেছেন তারা হয় মুর্খ নয় বেইমান। তারা ইমামদের প্রতি অপবাদ দেয়।
      মাযহাব সৃষ্টি হল কিভাবে
      ফারসীতে একটি প্রবাদ আছে ‘মান তোরা হাজী গো ইয়াম তু মোরা হাজী বোগো’ অর্থাৎ একজন লোক আর একজনকে বলছে, ভাই! যদিও তুমি হাজী নও তথাপি আমি তোমাকে হাজী সাহেব বলছি এবং যদিও আমি হাজী নই তুমি আমাকে হাজী সাহেব বলো। এভাবে একে অপরকেহাজী সাহেব বলে ডাকার ফলে আমরা দু-জনেই হাজী সাহেব হয়ে যাবো। এভাবেই আবু হানীফার অনুসারীদের অথবা তাঁর ফতোয়া মান্যে ওয়ালাদের অন্যেরা হানাফী একইভাবে ইমাম মালেকের ফতোয়া মাননে ওয়ালাদের মালেকী বলে ডাকাডাকির ফলে মাযহাবের সৃষ্টি হয়েছে। আজ যা বিরাট আকার ধারন করেছে। আবু হানীফা (রহ) বা তাঁর শিষ্যরা কখনো বলেননি আমাদের ফতোয়া যারা মানবা তারা নিজেদের পরিচয় হানাফী বলে দিবা। অথবা ইমাম মালেক বা শাফেয়ীও বলে যাননি যে আমার অনুসারীরা নিজেকে মালেকী বা শাফেয়ী বলে পরিচয় দিবা। ইমামরা তো বটেই এমনকি ইমামদের শাগরেদরা কিংবা তাঁর শাগরেদদের শাগরেদরাও মাযহাব সৃষ্টি করতে বলেননি। যখন আমাদের মহামতি ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেননি এবং করতেও বলেননি তখন উনাদের নামে মাযহাব সৃষ্টি করার অধিকার কেন দিল?
      হাদীস বিরোধী বক্তব্যের ব্যাপারে ইমামদের রায়
      মাযহাবীদের মধ্যে কিছু লোক দেখা যায় যারা ইমামদের তাক্কলীদ করে অর্থাৎ অন্ধ অনুসরন করে। তারা ইমামদের বক্তব্যকে আসমানী ওহীর মতো মানে। কোরআন-হাদিস বিরোধী কোনো রায় হলেও তাতে আমল করে। তাই সেই সব লোকদের জন্য হাদীস অনুসরনের ব্যাপারে ইমামদের মতামত এবং তাদের হাদীস বিরোধী বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে তাদের কয়েকটি উক্তি দেওয়া হল। ইনশাল্লাহ্! মাযহাবী ভাইয়েরা এ থেকে অনেক উপকারিত হবেন।
      আবু হানীফা (রহ)
      ১) যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (ইবনুল আবেদীন ১/৬৩; রাসমুল মুফতী ১/৪; ঈক্কামুল মুফতী ৬২ পৃষ্ঠা)
      ২) কারো জন্য আমাদের কথা মেনে নেওয়া বৈধ নয়; যতক্ষন না সে জেনেছে যে, আমরা তা কোথা থেকে গ্রহন করেছি। (হাশিয়া ইবনুল আবেদীন ২/২৯৩ রাসমুল মুফতী ২৯, ৩২ পৃষ্ঠা, শা’ রানীর মীথান ১/৫৫; ইলামুল মুওয়াক্কিঈন ২/৩০৯)
      ৩) যে ব্যাক্তি আমার দলিল জানে না, তার জন্য আমার উক্তি দ্বারা ফতোয়া দেওয়া হারাম। (আন-নাফিউল কাবীর ১৩৫ পৃষ্ঠা)
      ৪) আমরা তো মানুষ। আজ এক কথা বলি, আবার কাল তা প্রত্যাহার করে নিই। – (ঐ)
      ৫) যদি আমি এমন কথা বলি যা আল্লাহর কিবাব ও রাসুলের (সা) হাদীসের পরিপন্থি, তাহলে আমার কথাকে বর্জন করো। (দেওয়ালে ছুড়ে মারো)। (ঈক্কাবুল হিমাম ৫০ পৃষ্ঠা)
      ইমাম মালেক (রহ)
      ১) আমি তো একজন মানুষ মাত্র। আমার কথা ভুল হতে পারে আবার ঠিকও হতে পারে। সুতরাং তোমরা আমার মতকে বিবেচনা করে দেখ। অতঃপর যেটা কিতাব ও সুন্নাহর অনুকুল পাও তা গ্রহন কর। আর যা কিতাব ও সুন্নাহর প্রতিকুল তা বর্জন করো। (জানেউ বায়ানিল ইলম ২/৩২, উসুলুল আহকাম ৬/১৪৯)
      ২) রাসুলুল্লাহ (সা) এর পর এমন কোনো ব্যাক্তি নেই যার কথা ও কাজ সমালোচনার উর্ধে। একমাত্র রাসুলুল্লাহ (সা) ই সমালোচনার উর্ধে। (ইবনু আবদিল হাদী, ১ম খন্ড, ২২৭ পৃষ্ঠা, আল ফতোয়া – আসসাবকী, ১ম খন্ড ১৪৮ পৃষ্ঠা, উসুলুল আহকাম ইবনু হাযম, ষষ্ঠ খন্ড ১৪৫ – ১৭৯ পৃষ্ঠা)।
      ৩) ইবনু ওহাব বলেছেন, আমি ইমাম মালেককের উয়ব মধ্যে দুই পায়ের আঙ্গুল খেলাল করার বিষএ এক প্রশ্ন করতে শুনেছি। তিনি বলেন লোকদের জন্য এটার প্রয়োজন নীই। ইবনু ওহাব বলেন, আমি মানুষ কমে গেলে তাঁকে নিরিবিলে পেয়ে বলি ‘তাতো আমাদের জন্য সুন্নাহ। ইমাম মালেক বলেন, সেটা কি? আমি বললাম, আমরা লাইস বিন সাদ, ইবনু লোহাইআ, আমর বিন হারেস, ইয়াবিদ বিন আমার আল-মা আফেরী, আবু আবদুর রহমান আল হাবালী এবং আল মোস্তাওরাদ বিন শাদ্দাদ আল কোরাশী এই সুত্র পরম্পরা থেকে জানতে পেরেছি যে, শাদ্দাদ আল কোরাশী বলেন, আমি রাসুল (সা) কে কনিষ্ঠ আঙ্গুল দিয়ে দুই পায়ের আঙ্গুল খেলাল করতে দেখেছি। ইমাম মালেক বলেন, এটা তো সুন্দর হাদীস। আমি এখন ছাড়া আর কখনো এই হাদীসটি শুনিনি। তারপর যখনই তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, তখনই তাঁকে পায়ের আঙ্গুল খেলাল করার আদেশ দিতে আমি শুনেছি। (মোকাদ্দামা আল জারাহ ওয়াত তা দীল- ইবনু হাতেমঃ ৩১- ৩২ পৃষ্ঠা)
      ইমাম শাফেরীঃ-
      ১) হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (মাজমু ১/৬৩; শা’রানী ১/৫৭)
      ২) আমি যে কথাই বলি না কেন অথবা যে নীতিই প্রনয়ন করি না কেন, তা যদি আল্লাহর রাসুল (সা) এর নিকট থেকে বর্ণিত (হাদীসের) খিলাপ হয়, তাহলে সে কথাই মান্য, যা রাসুল (সা) বলেছেন। আর সেটাই আমার কথা। (তারীখু দিমাশ্ক; ইলামুল মুওয়াক্কিঈন ২/৩৬৬,৩৬৪)
      ৩) নিজ ছাত্র ইমাম আহমাদকে সম্বোধন করে বলেন) হাদীস ও রিজাল সম্বন্ধে তোমরা আমার চেয়ে বেশি জানো। অতএব হাদীস সহীহ হলে আমাকে জানাও, সে যাই হোক না কেন; কুকী, বাসরী অথবা শামী। তা সহীহ হলে সেটাই আমি আমার মাযহাব (পন্থা) বানিয়া নেবো। (ইবনু আবী হাতীম ৯৪-৯৫ পৃষ্ঠা; হিলয়াহ ৯/১০৬)
      ৪) আমার পুস্তকে যদি আল্লাহর রাসুল (সা) এর সুন্নাহের খেলাপ কে কথা পাও, তাহলে আল্লাহর রাসুল (সা) এর কথাকেই মেনে নিও এবং আমি যা বলেছি তা বর্জন করো। (নাওয়াবীর মা’জমু ১/৬৩; ইলামূল মুওয়াক্কিঈন ২/৩৬১)
      ৫) যে কথাই আমি বলি না কেন, তা যদি সহীহ সুন্নাহর পরিপন্থি হয়, তাহলে নবী (সা) এর হাদীসই অধিক মান্য। সুতরাং তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না। (হাদীস ও সুন্নাহর মুল্যমান ৫৪ পৃষ্ঠা)
      ৬) নবী (সা) থেকে যে হাদীসই বর্ণিত হয়, সেটাই আমার কথা; যদিও তা আমার নিকট থেকে না শুনে থাকো। (ইবনু আবী হাতীম ৯৩-৯৪)
      ইমাম আহমাদ
      ১) তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না, মালেকেরও অন্ধানুকরন করো না। অন্ধানুকরন করো না শাফেরীর আর না আওয়ারী ও ষত্তরীব বরং তোমরা সেখান থেকে তোমরা গ্রহন কর যেখান থেকে তারা গ্রহন করেছেন। (ইলামুল মোয়াক্কিঈন ২/৩০২)
      ২) যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সা) এর হাদীস প্রত্যাখ্যান করে, সে ব্যক্তি ধ্বংসোন্মুখ। (ইবনুল জাওযী ১৮২ পৃষ্ঠা)
      ৩) আওযাঈ; ইমাম মালেক ও ইমাম আবু হানীফার রায় তাদের নিজস্ব রায় বা ইজতিহাদ। আমার কাছে এসবই সমান। তবে দলিল হল আসার অর্থাৎ সাহাবী ও তাবেঈগনের কথা। (ইবনু আবদিল বার-আল-জামে, ২ খন্ড, ১৪৯ পৃষ্ঠা) ইমামদের এই সকল বক্তব্য জানার পর আমরা বলতে পারি প্রকৃতই যারা ইমামদের ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন, মান্য করেন তারা ইমামদের কথা অনুযায়ী চলবেন এবং সহীহ হাদীসকেই নিজের মাযহাব বানাবেন। তাক্কলীদ করবেন না। সরাসরী সেখান থেকে গ্রহন করবেন যেখান থেকে ইমামরা করেছেন অর্থাৎ সরাসরী হাদীস কোরয়ান থেকে। ইমামরা কোনো বিষয়ে ভুল ফতোয়া (সহীহ হাদীস তাঁদের কাছে না পৌছানোর কারনে) দিয়ে থাকলে তা প্রত্যাখ্যান করা এবং সহীহ হাদীসের উপর আমল করা। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলাম বোঝার ও গ্রহীহ হাদীসের উপর আমল করার তৌফিক দিন। আমীন!

  9. ikram বলেছেন:

    TOra bondo.Tora pagol.Todar mata nosto. aso sob muslim 1 hoya islam ar sotik pot a cole. islam a kono sunny ohabe jamat tablik nai 1ta porecoy amra moslim.Tora islam ar asol sorto jara islamic dol kora.kinto namaz poros na

  10. kabir বলেছেন:

    ভাই, আবু দাউদের ২য় খণ্ড এর ৭৫৯ নং এর হাদিসে বলা হয়েছে, নবীজি স্বীয় ডান হাত দ্বারা বামহাত ধরে তা বুকের উপরে বাঁধতেন।
    এবং বুখারী ২য় খণ্ড এর ৭৫৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে হযরত আলী(রাঃ ) পাঞ্জা করে হাত বাঁধতেন, তাহলে তো হাত বুকের উপরেই হতো বলে মনে হচ্ছে।
    এই হাদিসের বিষয়ে আপনাদের মতামত আশা করছি ………

    • ABSAR বলেছেন:

      আবু দাউদের ২য় খণ্ড এর ৭৫৯ নং এর হাদিসে বলা হয়েছে, নবীজি স্বীয় ডান হাত দ্বারা বামহাত ধরে তা বুকের উপরে বাঁধতেন।

      এই হাদীসটি সহী বলে মত দিয়েছেন আল বানী
      এবং আমি এবাবে নামাজ পড়ি

    • ABSAR বলেছেন:

      ৭৫৬। মুহাম্মাদ ইবনুূু মাহবূব আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) বলেন, নামাযে রত অবস্হায় নাভিড় নীচে বাম হাতের তালুর উপর ডান হাতের তালু রাখা সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

      হাদিস যঈফঃ আলবানী
      ৭৫৭। মুহাম্মাদ ইবনুূু কুদামা ইবনুূু জুরাইজ থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আলী (রাঃ) -কে নামাযে নাভিড় উপরে ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কব্জি ধরে রাখতে দেখেছি। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনুূু জুবাইর থেকে “নাভিড় উপরে” বর্ণিত আছে। আর আবূ মিজলায বলেছেন, “নাভিড় নীচে”। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে, কিন্তু তা তেমন শক্তিশালী নয়।

      হাদিসটি যঈফঃ আলবানী

      ৭৫৯। আবূ তাওবা তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযরত অবস্হায় ডান হাত বাম হাতের উপর স্হাপন করে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন।

      হাদিসের মানঃ সহিহ – আলবানী

  11. anwar বলেছেন:

    dur sala 2/1 ta hidis pore eta like nizka jahannami korla

    • SHAMI বলেছেন:

      it is islamic site and u also a muslim but i cant understand whow could u said that Dur SALA?are u really muslim?im confused about it …

    • ABSARMN বলেছেন:

      ভাই আপনি কি মুসলিম? য়দি মুসলিম হয়ে থাকেন মুসলিমের ব্যবহার এ রকম না মনে রাকবেন

      মুসলিম কিভাবে ব্যবহার সেটা কোরআন এ উল্লিকিত হয়েছে
      ছোরা নাহাল ছোরা নাম্বার ১৬ আয়াত নাম্বার ১২৫ পড়ে পাবেন

      মানুষকে প্রতিপালকে প্রতি আহবান কর হিকমা ও সত উপদেশ দিয়ে এবং তাদের সাথে তর্ক কর যুক্তি দেখাও সর্ব উত্তম ও গ্রহন যোগ্যা পন্তায়

  12. Isanur Khan বলেছেন:

    Vai doya kore j hadis gulor reference disen sei hadis sharif gulor download link ta den.khub uppokrito hobo.

  13. Khas Mujaddedia বলেছেন:

    আসসালামু আলাইকুম
    সম্পূর্ন হাদিসগুলো পেলে আরও উপকৃত হতাম

  14. enamul haque বলেছেন:

    আপনার দেয় হাদিস নং ও পৃষ্ঠা নং এর সাথে তো মিল পাইনি।

  15. সালমান ফারসী বলেছেন:

    রাসুল (সাঃ) নূরের তৈরী নয় মাটির তৈরী। দলিল> সূরা ত্বহা, আয়াত 56.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s